Published on
:
1 min read
এই সময়, আলিপুরদুয়ার: বক্সার ১৮টি গ্রামের মানুষদের গত ১৮ দিন ধরে চলা অবস্থান বিক্ষোভ কি মিটতে চলেছে? ফের কি চালু হবে বক্সার পর্যটন? শুক্রবার রাজ্য সরকারের তরফে আসা একটি বার্তায় সেই আশা তৈরি হয়েছে।
অরণ্যের অধিকার আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে রাজাভাতখাওয়ায় বক্সার ১৮টি গ্রামসভার যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ধর্না আন্দোলন চলছে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে। বক্সার গ্রামগুলি ছাড়াও ওই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে অন্য বনবস্তিও। ইতিমধ্যেই ওই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে বানারহাটের চামুর্চি ও মালবাজারের ইনডং বনবস্তি। শুক্রবার ধর্নায় যোগ দেন কোচবিহারের রসিকবিল ও আঁটিয়ামোচর, কুমারগ্রামের ছিপ্রা ও লেফ্রাগুড়ি বনবস্তির বাসিন্দারা।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন, ২৫ অক্টোবরের মধ্যে তাঁদের দাবিদাওয়া পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। তবে শুক্রবার আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের তরফে বার্তা আসে, ১ নভেম্বর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি প্রশাসন ও বন দপ্তর। এলাকার বিধায়ক রাজ্যের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা শুক্রবার বলেন, '১ নভেম্বর রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজাভাতখাওয়ায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাঁদের দাবি নিয়ে আলোচনায় বসবেন। আমি নিজেও জেলা প্রশাসনকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছি। আশা করছি দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে।'
এ দিকে আন্দোলনের জেরে পর্যটনের ভরা মরসুমেও বক্সা খাঁ খাঁ করছে। কারণ জিপ সাফারি বন্ধ। ব্যবসায়ীরা সেই আর্থিক ক্ষতি সয়েও অবস্থানে অনড়। আন্দোলনকারীদের তরফে অয়ন নাইডুর বক্তব্য, 'প্রশাসন ও বন দপ্তর শেষ পর্যন্ত নমনীয় মনোভাব দেখানোয় আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু ধর্না জারি থাকবে। আলোচনায় কী ধরনের সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসে, দেখা যাক।'
