বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাবে দীর্ঘমেয়াদে সুদের হার উচ্চপর্যায়ে বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে করে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম এক শতাংশের বেশি কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ২১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৯৫ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমে আসে। আর ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১১২ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ওএএনডএ-এর সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘তেলের দাম যদি ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে, তবে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরালো হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে সুদের হার বেশি থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে, যা স্বর্ণের বাজারে মন্দার অন্যতম কারণ।’
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৬ দশমিক ০৬ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৯৬ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, দেশের বাজারেও কমেছে স্বর্ণের দাম। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভরিতে এক হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। কমানোর পর ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট দুই লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেট এক লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
