সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (বাঁ দিকে) এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (ডান দিকে)ছবি: X
Published on
:
1 min read
সামনেই কলকাতায় পুরভোট। দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি এখনও। তবে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতায় তালতলায় এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি বলেন, ‘নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ। দু’টো নাড়ু খেয়েছি।’
প্রতি বছরই ধুমধাম করে লক্ষ্মীপুজো হয় সুদীপের বাড়িতে। সব আয়োজন করেন স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বারেও তার অন্যথা হয়নি। প্রায় এক মাস আগেই শুভেন্দুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তাঁরা। শনিবারও ফোনে মনে করিয়ে দেন। এর পরেই এ দিন সন্ধ্যায় শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংকে সঙ্গে নিয়ে তালতলার বাড়িতে হাজির হন শুভেন্দু।
সুদীপের বাড়িতে প্রায় ২৫ মিনিট ছিলেন শুভেন্দু। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়ে দেন, এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। পুরোটাই সৌজন্য সাক্ষাৎ। শুভেন্দুর কথায়, ‘একমাস আগেই আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। গতকালও ফোন করেছিলেন।’ সুদীপের বাড়িতে তিনি লক্ষ্মীপুজোর নাড়ু খেয়েছেন বলেও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসিমুখে বললেন, ‘চারটে নাড়ু দিয়েছিলেন। দু’টো খেয়েছি।’
তৃণমূলের টিকিটে জিতে NCPI-তে যোগ দিয়েছেন সুদীপ-সহ ২০ জন সাংসদ। এনডিএকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন তাঁরা। তবে তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখেছেন মমতা তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নিয়ে তাঁদের জবাব তলব করেছিলেন স্পিকার। সুদীপরা ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছেন।
এ দিন অবশ্য সেই প্রসঙ্গ তোলেননি শুভেন্দু। NCPI-তে যোগ দেওয়ার পরে সুদীপদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। সুদীপকে দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করেছেন।’ একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। শুভেন্দুর কথায়, ‘২ কিলোমিটারের মধ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। তাঁকেও প্রতি বছর আমন্ত্রণ করতেন। কিন্তু একবারও আসেননি।’ বাংলায় এতদিন পরে ফের সৌজন্যের রাজনীতি শুরু হলো বলে মনে করেন তিনি।
