ব্রেন্ডন ম্যাককালামের বিদায়ের পর ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন ফ্লেমিং। তবে ইংল্যান্ড দলকে সে দেশেরই কাউকে দিয়ে কোচিং করানো উচিত বলে মনে করছেন তিনি।
বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফ্লেমিং বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রাথমিকভাবে জাতীয় দলের কোচ হওয়া উচিত সে দেশেরই কাউকে।’
গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান ফ্লেমিং। ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে ইংল্যান্ডের দায়িত্বে অভিষেক হবে তার। এর আগে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম টেস্ট দলের কোচের দায়িত্ব ছাড়লেও সাদা বলের কোচ হিসেবে থাকছেন।
১৯৯৯ সালের পর থেকে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচের দায়িত্বে মাত্র দুজন ইংলিশ কোচ- পিটার মুরস ও ক্রিস সিলভারউড কাজ করেছেন। মুরস দুই দফায় দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে জিম্বাবুয়ের ডানকান ফ্লেচার ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রেভর বেলিসও ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের কোচ ছিলেন। সাদা বলের দলের দায়িত্বে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু মটও।
ফ্লেমিংয়ের কোচিং স্টাফে অবশ্য ইংলিশদের প্রাধান্য রয়েছে। সাবেক ইংলিশ ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিক, উইকেটকিপার জেমস ফস্টার ও স্পিনার রিচার্ড ডসন তার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন। এ বছরের শুরুর দিকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে টেস্ট দলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন ট্রেসকোথিক। ফ্লেমিং নিয়োগ পাওয়ার আগে টেস্ট কোচের দৌড়ে ছিলেন ডসন ও জোনাথন ট্রট। ট্রট শিগগিরই ইংল্যান্ড লায়ন্সের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
নিজের কোচিং স্টাফের সদস্যদের পাশাপাশি কাউন্টি দলের কোচ ও সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটারদেরও বিভিন্ন সময়ে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দিতে চান ফ্লেমিং।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আবার ফিরেছেন, যা আমাকে আনন্দিত করেছে। তাদের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। কাউন্টি কোচদেরও নির্দিষ্ট সময়ে যুক্ত করা হবে। একইভাবে সাবেক খেলোয়াড়দেরও ফিরিয়ে আনা হবে।’
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ইংল্যান্ডের দল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করার কথা। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ তিন টেস্টে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছাড়াই খেলেছিল ইংল্যান্ড। চারজন পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল দলটি।
এমএমএম/
