উত্তরাঞ্চলের চা শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে নিজেদের উৎপাদিত চায়ের গুণগত মান সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকালে পঞ্চগড়ে বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত গুণগত মানের চা উৎপাদনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও চা আস্বাদনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, নিজেদের চায়ের মান নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি চায়ের দুর্বলতাগুলো জেনে সবাইকে সচেতন হতে হবে। কারণ, নিজের ভুল চিহ্নিত করার সক্ষমতাই মানোন্নয়নের প্রথম শর্ত। একই সঙ্গে চা শিল্পের গুণগত মান উন্নয়নে উৎপাদিত চায়ের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো ধরে রাখা এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চায়ের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হ্যান্ডলিংয়ের কোন পর্যায়ে মানের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, তা বুঝে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
এ সময় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য (যুগ্মসচিব, গবেষণা ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের (শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার) পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, পরিচালক ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ বটলিফ চা কারখানার সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতী, স্মল টি ওনার্স অ্যান্ড ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি শাহজাহান খান, চা চাষি সমিতির উপদেষ্টা আনিসুর রহমান নূতন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
কর্মশালায় চা চাষি, চা কারখানার কর্মকর্তা, মালিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
পরে পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের নিচতলায় ৩০টি কারখানায় উৎপাদিত চা পান করে মান যাচাই করেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের (শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার) পরিচালক ইসমাইল হোসেন। পরে সমতলের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত চায়ের গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়।
