কয়েক দিন ধরে তালাবদ্ধ একটি ঘর। হঠাৎ সেই ঘর থেকে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুর্গন্ধ। বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিতেই দেখা যায়, ঘরের ভেতরে পড়ে আছে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের ফজলুল হকের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে আশিক নামের ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার খাওরাইল গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। পেশায় টাইলস মিস্ত্রি আশিক ওই বাড়িতে স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।
বিজ্ঞাপন
নিহতের বাবা আব্দুল কাদির জানান, পাঁচ দিন আগে ছেলের সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়েছিল। এরপর বৃহস্পতিবার ছেলের মৃত্যুর খবর পান। কয়েক দিন আগে পারিবারিক ঝগড়ার পর আশিকের স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে গিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।
বাড়ির মালিক ফজলুল হক বলেন, পূজার ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। কয়েক দিন ধরে ঘরটি তালাবদ্ধ দেখে ভেবেছিলেন, ভাড়াটিয়ারা হয়তো গ্রামের বাড়িতে গেছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাড়িতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। দুপুরের দিকে দুর্গন্ধ তীব্র হলে এর উৎস খুঁজতে গিয়ে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে লাশ দেখতে পান তিনি। পরে পুলিশকে খবর দেন।
শ্রীপুর থানার এসআই উবায়দুল হক বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত করছে।
এমএইচ
