মেলার অনুমোদন এখনো মেলেনি। এর মধ্যেই প্রস্তুতির প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ করেছেন আয়োজকেরা। মেলার আয়োজন নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর এবার তা বন্ধ না করার দাবিতে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের ব্যবসায়ীদের জীবিকার কথা তুলে ধরে প্রশাসনের কাছে মিনতি জানিয়েছেন উদ্যোক্তা নুরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে পটিয়ার একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অনুরোধ জানান তিনি। মেলায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম বলেন, আয়োজনটি বন্ধ হয়ে গেলে তাদের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে তথ্য প্রকাশের পর সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমাদের কোনো অভিযোগ বা ক্ষোভ নেই। তবে এই মেলাটি যদি শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে শুধু আমাদের ব্যবসায়িক স্বপ্নই ভাঙবে না, আমাদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পরিবারগুলোর মুখে খাবার তুলে দেওয়ার পথও বন্ধ হয়ে যাবে।’
মেলার সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের ব্যবসায়ীদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে আয়োজনটি বন্ধ না করার অনুরোধ জানান আয়োজক। বিধি অনুযায়ী অনুমোদন দিয়ে মেলা চালুর ব্যবস্থাও চান তারা।
এমপির নামে উদ্বোধনের প্রচারণা চালিয়ে অনুমোদনহীন মেলার প্রস্তুতি
এর আগে বৃহস্পতিবার দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ-এর শেষ পাতায় ‘এমপির নামে উদ্বোধনের প্রচারণা চালিয়ে অনুমোদনহীন মেলার প্রস্তুতি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নামে উদ্বোধনের প্রচারণা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই মেলার প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কের পাশে পটিয়ার মনসা বাদামতল এলাকায় জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অসিত বড়ুয়ার মালিকানাধীন মাঠে মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। তাঁতবস্ত্র ও কুটিরশিল্পের পাশাপাশি আনন্দমেলার নামে এ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান এর আগে বলেন, মেলা আয়োজনের আবেদনটি তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে উপজেলা প্রশাসনে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। অনুমোদন না পাওয়ার পরও মেলার কার্যক্রম চালানো হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
The post অনুমোদন মেলেনি, মেলা চালাতে এবার ‘মিনতি’ appeared first on সুপ্রভাত বাংলাদেশ.
