নারায়ণগঞ্জে একটি হত্যা মামলায় আদালতে হাজিরা শেষে স্লোগান ধরেন সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী।
মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর সকালে আইভী স্বশরীরে নারায়ণগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদের আদালতে হাজির হন।
২০২৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সামনে গুলিতে রিকশাচালক তুহিন নিহত হন। নিহত তুহিনের স্ত্রী আলেয়া আক্তার মিম ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলাটিতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আইভী হলেন ১১ নাম্বার আসামী।
আসামীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কায়সার হাসনাত, নজরুল ইসলাম বাবু, শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান ও ভাতিজা আজমেরী ওসমান সহ ৯৯ জন। অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তুহিন হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন আইভী। ১৩ অক্টোবর নিম্ন আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি ও সাবেক মেয়র আইভীর পুনর্জামিনের জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে তার আইনজীবী পুনর্জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
শুনানী শেষে বের হয়ে গাড়িতে উঠার সময়ে নেতাকর্মী বেষ্টিত ছিলেন আইভী। তখন তিনি স্লোগান ধরেন। বলেন, ‘জয় বাংলাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না, জয় বাংলা’। এ স্লোগান দিয়েই তিনি গাড়িতে চড়েন। তখন নেতাকর্মীরাও জয় বাংলা স্লোগান ধরেন।
আইভীর আইনজীবি আওলাদ হোসেন বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জের তুহিন হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি এবং মেয়র আইভীর পুনর্জামিনের দিন ধার্য ছিলো। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিস্ফোরক আইনে প্রতিবেদন দাখিল করলেও পিপি বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে না রাজী দিয়েছেন। আমরা বলেছি এটা আইনগত হয়নি। আমরা আদালতে পুর্নজামিনের আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
