Published on
:
2 min read
এই সময়, নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরাট এক জনসভা আয়োজনের কথা জানিয়েছিল বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ শিবির৷ পূর্ব ঘোষিত এই কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই ঝাঁপাতে শুরু করেছে কংগ্রেস৷ শনিবারও বৈঠকের ছবি পোস্ট করে কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল জানিয়েছেন, ১ নভেম্বরের মেগা র্যালির প্রস্তুতি নিয়ে মিটিং চলছে। কিন্তু এর মধ্যেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি লিখেছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি৷
দিল্লির বণিক সংগঠন ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (সিটিআই)–এর দাবি, দিওয়ালির আগে নয়, রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবির সমাবেশ করুক ১০ নভেম্বরের পরে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে লেখা চিঠিতে বণিক সংগঠনের দাবি, দিওয়ালির আগে রামলীলা ময়দানে বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করলে আশেপাশের এলাকার চাঁদনি চক, সদর বাজার, খাড়ি বাওলি, কনৌট প্লেস–সহ বড় বাজারগুলিতে কেনাকাটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, ক্ষতি হতে পারে ১০,০০০ কোটি টাকার!
এর আগে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)–এর বিক্ষোভের জেরে যখন রাজধানী দিল্লি যখন স্তব্ধ, ব্যবসায়ীরা প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন৷ এ বার ৬ নভেম্বর ধনতেরাস এবং ৮ নভেম্বর দিওয়ালি৷ বছরের এই সময়ে সদর বাজার, চাঁদনি চক, খাড়ি বাওলি, কনৌট প্লেসের বাজারগুলোতে প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়ে থাকে৷
বণিক সংগঠন সিটিআই-র চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েলের দাবি, এই উৎসবের মরশুমে রামলীলা ময়দানে রাজনৈতিক সমাবেশ হলে তাঁরা বিপাকে পড়বেন৷ তাই বিরোধী শিবির বৈঠক করুক ১০ নভেম্বরের পরে। এই চিঠি কংগ্রেসকে বেশ চাপে ফেলেছে, এ দিকে রাতারাতি সমাবেশ পিছিয়ে দেওয়াও মুশকিল, কারণ ১ নভেম্বর ছাড়া অন্য কোনও দিন খালি নেই রামলীলা ময়দান! বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদের অবশ্য খোঁচা, ‘কেন ১ নভেম্বর দিল্লিতে বড় জনসভা করতে মরিয়া কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধী? আসলে তাঁরা চাইছেন ১৯৮৪–এর শিখদাঙ্গার আবেগে আঘাত করতে৷ কংগ্রেসের এই প্রচেষ্টা নিন্দনীয়।’
