Published : 20 Oct 2026, 08:55 PM
Updated : 20 Oct 2026, 08:55 PM
জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ খেলার পর পেরিয়ে গেছে দেড় বছরের বেশি সময়। বারবার উপেক্ষিত হলেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন এখনও দেখছেন মোহাম্মদ শামি। ৩৬ বছর বয়সি এই পেসারের বিশ্বাস, এখনও ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থায় আছেন তিনি।
ভারতের জার্সিতে বল হাতে শামিকে সবশেষ দেখা যায় ২০২৫ সালের মার্চে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে। ওই আসরে ভারুন চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে দলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন তিনি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে গেলেও জাতীয় দলের দুয়ার খুলছে না তার জন্য। প্রথম শ্রেণির প্রতিযোগিতা রাঞ্জি ট্রফির গত আসরে বেঙ্গলের সেমি-ফাইনালে খেলায় বড় অবদান রাখেন তিনি। সাত ম্যাচে ১৬.৭২ গড়ে ৩৭ উইকেট নেন এই ক্রিকেটার। ছিলেন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
শুধু তাই নয়, শেষ চারের ওই লড়াইয়ে জাম্মু ও কাশ্মীরের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৯০ রান খরচায় ৮ উইকেট নেন শামি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।
রাঞ্জি ট্রফির নতুন মৌসুমে দিল্লির বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে চারটিসহ মোট পাঁচ উইকেট নেন শামি। সার্ভিসেসের বিপক্ষে গত রোববার ৬০ রানে জেতা ম্যাচে বেঙ্গলের একাদশে ছিলেন না ডানহাতি এই পেসার।
শামি জাতীয় দলের সুযোগ না পেলেও, তার সম বয়সি ভুবনেশ্বর কুমার প্রায় চার বছর পর ফিরেছেন দলে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের বোলিং নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় শামিকে দলে ফেরানোর দাবিও জোরালো হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শামি বললেন, জাতীয় দলে ফেরার আশা ছাড়ছেন না তিনিও।
“জাতীয় দলে ফেরার আশা সব সময়ই থাকা উচিত। যেকোনো পেশায়, যেকোনো খেলায় একটা লক্ষ্য থাকা দরকার। সবারই একটা লক্ষ্য থাকে। আজ আমরা রাঞ্জি ট্রফি খেলছি, শিরোপার জন্য লড়ছি।
“আমি এখনও নিজের সেরা অবস্থায় আছি। মিথ্যা বলার কোনো কারণ নেই। আমি যেমনই থাকি না কেন, এখনও নিজের সেরা অবস্থায় আছি।”
ভুবনেশ্বরেরও প্রশংসা করেন শামি। তার মতে, বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় আরও আগেই জাতীয় দলে ফেরার যোগ্যতা অর্জন করেছেন এই পেসার।
নিউ জিল্যান্ড সফরে ভারতের কোনো সংস্করণের দলেই জায়গা না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শামি বলেন, নিজের নিয়ন্ত্রণে যা আছে কেবল সেটির ওপরই মনোযোগ দিতে পারেন তিনি।
“এটা হতাশার কোনো বিষয় নয়। গত বছরও আমি পুরো ঘরোয়া মৌসুম খেলেছি। সব ম্যাচেই খেলেছি। আমার লক্ষ্য একই। যত বেশি সম্ভব খেলা।”
