ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক ১০০ ডলার, দাবি বিজেপি বিধায়কের
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ
-->গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এরই মধ্যে ‘ককরোচদের আন্দোলন’-এ যোগ দিলে কলেজ পড়ুয়াদের দৈনিক ১০০ ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ।
তার অভিযোগ, আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজপড়ুয়াদের আন্দোলনে সামিল করতে আর্থিক প্রলোভন দেখানো হচ্ছে।
বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার তার বিধানসভা এলাকার এক কলেজপড়ুয়া তার সঙ্গে দেখা করে কয়েকটি তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশট তুলে দেন। ওই বার্তাগুলিতে আন্দোলনে যোগ দিলে দৈনিক ১০০ ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন
শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে মাসে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের।
বিমান ঘোষের আরও অভিযোগ, ‘সিজেপি’ নামে পরিচিত ওই সংগঠনের মাধ্যমে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। এই আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগগুলির সমর্থনে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
বিধায়ক জানান, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজপড়ুয়ার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। একই কারণে হোয়াটসঅ্যাপে হওয়া সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ করেননি তিনি।
তার দাবি, সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হবে। খুব শিগগিরই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন
আরও পড়ুন
পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সেনাবাহিনীর ২ পাইলট নিহত
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
মেজর হুসনাইন শেহজাদ হুমায়ুন ও প্রশিক্ষণার্থী ক্যাপ্টেন আবদুল সামাদ
-->পাকিস্তানের কোয়েটায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেনাবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানায় দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুপুরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কোয়েটার নওয়ান কিল্লি এলাকার কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অ্যাভিয়েশন শাখার একটি মুশাক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়।
আরও পড়ুন
দুর্ঘটনায় প্রশিক্ষক মেজর হুসনাইন শেহজাদ হুমায়ুন ও প্রশিক্ষণার্থী ক্যাপ্টেন আবদুল সামাদ নিহত হন।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি।
এর আগে গত জুনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মুজাফফরাবাদের কাছে উড্ডয়নের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে হেলিকপ্টারটির সব আরোহী নিহত হন।
একই মাসে মারদানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ মহড়া চলাকালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা দুই পাইলটই নিহত হন।
এ ছাড়া গত বছরের সেপ্টেম্বরে দিয়ামার জেলার চিলাস এলাকায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে হেলিকপ্টারটির পাঁচ আরোহীর সবাই নিহত হন। সূত্র: ডন
অমিয়/
আরও পড়ুন
প্রথম উড্ডয়ন শেষ করল এয়ারবাসের মনুষ্যবিহীন যুদ্ধবিমান
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম
ইউ৭৪০ ভালকিরি
-->ক্রাটোসের তৈরি এক্সকিউ-৫৮এ ভালকিরি-ভিত্তিক মনুষ্যবিহীন যুদ্ধবিমান ইউ৭৪০ ভালকিরি ইউরোপে প্রথমবারের মতো সফলভাবে উড্ডয়ন করেছে এয়ারবাস। উত্তর ইউরোপের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরিচালিত এই পরীক্ষায় বিমানটি নির্ধারিত সব লক্ষ্য পূরণ করেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) এয়ারবাস জানায়, এয়ারবাস ও ক্রাটোসের লক্ষ্য, ২০২৯ সালের মধ্যে জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যুদ্ধ-প্রস্তুত সহযোগী যুদ্ধবিমান (সিসিএ) সরবরাহ করা।
বিমানটিতে এয়ারবাসের তৈরি মার্স (MARS) নামের একটি মিশন সিস্টেম ব্যবহার করা হবে।
আরও পড়ুন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর এই ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিশন পরিচালনা এবং একাধিক বিমানের মধ্যে সমন্বয় করতে পারবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে মানুষের তত্ত্বাবধান থাকবে।
ইউ৭৪০-এর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ১ মিটার, ডানার বিস্তার ৮ দশমিক ২ মিটার এবং পাল্লা ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি। এটি সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে এবং অভ্যন্তরীণ ও ডানার নিচের অস্ত্র বহনব্যবস্থার মাধ্যমে অস্ত্র পরিবহন করতে সক্ষম।
২০২৯ সালের মধ্যে চালকবিহীন যুদ্ধবিমান সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে জার্মানি। এই কর্মসূচিতে ভালকিরির পাশাপাশি রাইনমেটাল ও বোয়িং অস্ট্রেলিয়ার এমকিউ-২৮ ঘোস্ট ব্যাট-ভিত্তিক প্রস্তাবও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সূত্র: অ্যারোটাইম
অমিয়/
আরও পড়ুন
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড
-->২০২৬ সালে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার নীতির ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ড।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
নতুন এই সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল কার্যকর স্থিতিশীলতা নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এসব মডেলের ভিত্তিতে সময়োপযোগী রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে অর্থনীতির উত্থান-পতন কমানো সম্ভব।
আরও পড়ুন
অর্থনীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো পর্যায়ক্রমিক উত্থান-পতন। প্রায় এক শতাব্দী আগে অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস তার তত্ত্ব উপস্থাপনের পর থেকেই অর্থনৈতিক ওঠানামা মোকাবিলায় স্থিতিশীলতা নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
অর্থনৈতিক মন্দার সময় সুদের হার কমানো এবং সরকারি বাজেট ঘাটতি বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করা হয়।
অন্যদিকে, অর্থনীতি অতিরিক্ত গতিশীল হয়ে উঠলে তার গতি নিয়ন্ত্রণে বিপরীতধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তবে ১৯৭০-এর দশকের তেলসংকটের সময় কেইনসীয় মডেলগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কখন ও কীভাবে অর্থনৈতিক নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা নির্ধারণে এসব মডেল প্রত্যাশিত ফল দিতে পারছিল না। বেকারত্ব কমানোর পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতির সমস্যায় পড়ে। ফলে পশ্চিমা দেশগুলো প্রায় এক দশক ধরে নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ বেকারত্ব ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে।
এ পরিস্থিতিতে অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, স্থিতিশীলতা নীতি উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করছে এবং এ নীতি পরিত্যাগ করা উচিত।
এমন প্রেক্ষাপটে স্থিতিশীলতা নীতিকে আরও কার্যকর করে তুলতে অর্থনৈতিক মডেলগুলো কীভাবে পুনর্গঠন করা যায়, তা দেখানোর স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর রবার্ট ই. হল ও মাইকেল উডফোর্ডকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
মুদ্রাস্ফীতি, উৎপাদন ও ভোগের মতো সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলকগুলোর মধ্যকার পরিসংখ্যানগত সম্পর্কের ওপর নির্ভর না করে তারা এসব মডেলকে ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।
তাদের গবেষণায় ব্যক্তি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, তা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এই মডেলগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সঞ্চয়, ভোগ ও পণ্যের মূল্য নির্ধারণের মতো সিদ্ধান্ত নেয়।
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন তাদের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতির পরিকল্পনা ঘোষণা করে, তখন তা পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। এর মাধ্যমে অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত পথে পরিচালিত করাও সম্ভব হয়।
নতুন এই মডেলগুলো অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এগুলো নীতিনির্ধারকদের বিশ্লেষণী সক্ষমতা বাড়িয়েছে। সূত্র: নোবেল প্রাইজ
অমিয়/
আরও পড়ুন
খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৮ নেতা পুলিশ হেফাজতে
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিসহ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অন্তত আট নেতাকে পুলিশের সুরক্ষামূলক হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তালাল চৌধুরী বলেন, রোববার তাদের আটক করা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, হেফাজতে থাকা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন খাইবার পাখতুনখোয়া বিধানসভার স্পিকার বাবর সেলিম সোয়াতি এবং পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সভাপতি জুনাইদ আকবর।
আরও পড়ুন
এদিকে খাইবার পাখতুনখোয়ার গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি বলেছেন, প্রদেশের উপদেষ্টা পরিষদের কাছে নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। তিনি আশ্বাস দেন, প্রাদেশিক প্রশাসন পুলিশের দাবিগুলো পূরণ করবে এবং সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্বকালে গভর্নর বলেন, আমরা উন্নয়নের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে পারি, কিন্তু নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়।
তিনি আরও বলেন, রাজ্য পরিষদের ওপর আস্থা রেখে সরকার তাদের দিনরাত কাজ করে বাস্তব ফলাফল অর্জনের দায়িত্ব দিয়েছে।
গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি বলেন, খাইবার পাখতুনখোয়ার জনগণ শান্তি ও সমৃদ্ধি চায়। তার মতে, প্রদেশটির বাসিন্দারা অন্য প্রদেশে ভ্রমণ করে সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।
তিনি আরও জানান, খাইবার পাখতুনখোয়ায় শান্তি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একমত। এ লক্ষ্য অর্জনে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত পদক্ষেপের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি বলেন, সরকার নিরাপত্তা বাহিনীকে যথাযথ নেতৃত্ব দিলে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব। এ জন্য পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপদেষ্টা পরিষদকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সূত্র: জিও নিউজ
অমিয়/
