যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পাঁচ সরকারি কর্মচারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩। গ্রেপ্তার সাতজনের মধ্যে পাঁচজনই সরকারি কর্মচারী। প্রাথমিক তদন্তে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র, প্রবেশপত্র, স্ট্যাম্প, ব্যাংক চেক, সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- পরিবেশ অধিদপ্তরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. রুবেল ইসলাম (৩৩), চাকরিপ্রত্যাশী মো. মফিজুল ইসলাম (২৩), মো. হাসিনুর রহমান সুজন (৩২), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কম্পিউটার অপারেটর এস এম ইমদাদুল ইসলাম (৩৫), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদুল ইসলাম (৩৩), এনবিআরের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ (৩০) এবং কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর (৩৮)।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, গ্রেপ্তারদের মোবাইল ফোনের চ্যাট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১০ অক্টোবর ভোর ৪টা ৪৩ মিনিটে একটি সূত্র থেকে প্রশ্নপত্রের অস্পষ্ট ছবি পান নূর মোহাম্মদ। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে জাহাঙ্গীর তাকে প্রশ্নপত্রের স্পষ্ট ছবি পাঠান।
পরে নূর মোহাম্মদ প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে জাহাঙ্গীর ও ইমদাদুলকে পাঠান। এরপর চক্রের সদস্য ও তাদের সঙ্গে যুক্ত পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্নপত্র ও উত্তর পৌঁছে দেওয়া হয়। এ কাজে আসাদুল, রুবেল, মফিজুল ও সুজন যুক্ত ছিলেন। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এসব কর্মকাণ্ড চালাতো বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র।
