কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরছেন আটক ৩০ বাংলাদেশি
কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তাঁদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জার্নাল ডেস্ককম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি পাওয়া সেই ৩০ বাংলাদেশি অবশেষে মঙ্গলবার দেশে ফিরছেন।
ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (টিজি-৩২১) মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তাঁদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দেশে ফিরতে যাওয়া এই ৩০ কর্মী হলেন—মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির।
তাঁরা কাজের আশায় কম্বোডিয়ায় গিয়ে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কেন্দ্রে আটকা পড়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তাঁদের দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানোর পাশাপাশি নির্যাতনও চালানো হতো।
পরে কম্বোডিয়া সরকার বিনা জরিমানায় দেশে ফেরার সুযোগ দিলে তাঁরা দেশে ফেরার জন্য নাম তালিকাভুক্ত করেন। সেই অনুযায়ী গত ৩ সেপ্টেম্বর কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন বিমানবন্দরে পৌঁছান তাঁরা। কিন্তু ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় অবৈধ অবস্থানসহ অন্যান্য জটিলতায় দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জনকে আটক করে।
পরে দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।
এরপর ‘অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটক বাংলাদেশিদের মুক্তি ও দ্রুত দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
ধাপে ধাপে সব প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার এসব কর্মী দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম