প্রকাশিত: ১৪:৩০, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
জামালপুর সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম
শনিবার সকালে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা
নতুন ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জের যোগদান ঠেকানোর দাবিতে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে পঞ্চম দিনের মতো চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এতে বন্ধ রয়েছে ক্লাস, পরীক্ষা ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১২ অক্টোবর) নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের এক আদেশে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ শাহজাদী মাহমুদাকে শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটে বদলি করা হয়। একই আদেশে শেরপুরের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুরে পদায়ন করা হয়। এরপর থেকেই মাকসুদার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কলেজে যোগদান করতে যান মাকসুদা ইয়সমিন। সেসময় শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ফিরে যেতে হয় তাকে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে মাকসুদা ইয়াসমিন বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। তার আচরণও শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। এ কারণে তাকে জামালপুর কলেজের ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে মেনে নিতে চান না তারা।'
শিক্ষার্থী জয় বলেন, শেরপুরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় আমরা মাকসুদা ইয়াসমিনকে আমাদের কলেজে দেখতে চাই না। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থী লাভলু বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চলছে। যোগদানের আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অন্য কাউকে ইন্সট্রাক্টর ইনচার্জ হিসেবে নিয়োগ দিলে আমাদের আপত্তি নেই।
কলেজের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর সামিনা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ শিক্ষকেরাও কলেজে প্রবেশ করতে পারছেন না। ক্লাস ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ রয়েছে।
