রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৫০ টাকার পটাশ ও ডিএপি সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রাশিয়া ও কানাডা থেকে তিন লটে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তির আওতায় এসব সার আমদানি করা হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে বৈঠকে অংশ নেন।
বিজ্ঞাপন
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৮৩.৮০ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিষ্ঠানের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় অষ্টম লটে এ সার আমদানি করা হবে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) থেকে দুই লটে মোট ৮০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার কেনা হবে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ লটের প্রতিটিতে ৪০ হাজার মেট্রিক টন করে সার আমদানিতে ব্যয় হবে ১৮৮ কোটি ৮৯ লাখ ৫৭ হাজার ২০০ টাকা। দুই লটে মোট ব্যয় হবে ৩৭৭ কোটি ৭৯ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৩৮২.৩৮ মার্কিন ডলার।
বিএডিসির সঙ্গে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় জিটুজি পদ্ধতিতে এসব সার আমদানি করা হবে।
এছাড়া সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান মা'আদেন থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। ২০২৬ সালের পঞ্চম লটে এ সার আমদানিতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম পড়বে ৮৬১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার। বিএডিসি ও সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে স্বাক্ষরিত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় এ সার কেনা হবে।
এমএএস/এমআইএইচএস
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
