আল-মুজিল্লু নামের সঠিক অর্থ কী?
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->আল-মুজিল্লু অর্থ অপমানকারী ও লাঞ্ছনাদানকারী, যিনি অহংকারী, জালিম ও অবাধ্যদের তাদের কৃতকর্মের কারণে লাঞ্ছিত করেন। আরবি জুল অর্থ লাঞ্ছনা, দুর্বলতা। এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের প্রকাশ, তিনি কাউকে অকারণে অপমানিত করেন না, বরং তাদের অহংকার ও পাপের পরিণতিতে। এই নাম আল-মুইজ্জুর সঙ্গে একসঙ্গে উচ্চারণ করা উত্তম, যাতে ভারসাম্য বজায় থাকে।
আর যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন (তুজিল্লু)। সব কল্যাণ আপনারই হাতে। নিশ্চয়ই আপনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। (সুরা আলে ইমরান, ২৬)
নামটি ইমাম তিরমিজি (রহ) ৩৫০৭ নম্বর হাদিসে উল্লেখ করেছেন। ফিরাউন, কারুনসহ ইতিহাসের অহংকারীদের পতন এই নামের প্রমাণ।
এই নাম অহংকার ও জুলুম থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করে– কারণ যে অন্যকে তুচ্ছ করে বা সীমা লঙ্ঘন করে, আল-মুজিল্লু তাকে লাঞ্ছিত করতে পারেন। বান্দার কর্তব্য হলো বিনয়ী থাকা এবং কখনো নিজ ক্ষমতা বা সম্মান নিয়ে গর্ব না করা। আল্লাহর অবাধ্যতাই প্রকৃত লাঞ্ছনার পথ।
আরও পড়ুন
হুর আসলে কী? তারা কি নারী, নাকি পুরুষ?
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->হুর শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে জান্নাতের এক বিশেষ নিয়ামতের কথা। কিন্তু অনেকের মনেই স্বাভাবিক কৌতূহল জাগে, হুর আসলে কী? তারা কি নারী, নাকি পুরুষ? আর যদি নারীই হয়ে থাকেন, তাহলে জান্নাতি নারীদের জন্য সমপর্যায়ের কী ব্যবস্থা রয়েছে?
প্রশ্ন: জান্নাতে প্রবেশকারীদের খেদমতের জন্য হুর দেওয়া হবে বলে জানা যায়। হুর কি নারী, নাকি পুরুষ? আর হুর যদি নারী হন, তাহলে জান্নাতি নারীদের জন্য কী ব্যবস্থা থাকবে?
উত্তর: ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বলা যায়, হুর হলেন নারী, কোনোভাবেই পুরুষ নন। জান্নাতি নারীদের জন্য রয়েছে ভিন্ন ও সুন্দর ব্যবস্থা, তাদের জন্য জান্নাতে থাকবে তাদের নিজ স্বামী।
তবে যেসব নারীর দুনিয়াতে বিবাহ হওয়ার সুযোগ হয়নি, তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ সৌভাগ্য। তাদেরকে দেওয়া হবে নিজের পছন্দ অনুযায়ী জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার পূর্ণ অধিকার। তিনি যাকেই পছন্দ করবেন, জান্নাতে তার সঙ্গেই হবে তার বিবাহ। আর কাউকে পছন্দ না করলে, আল্লাহতায়ালা স্বয়ং তার জন্য একজন উপযুক্ত পুরুষ সৃষ্টি করে তাদের মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন করে দেবেন।
এ শিক্ষা থেকে আমরা বুঝতে পারি, আল্লাহতায়ালার ব্যবস্থাপনা কতটা সুবিচারপূর্ণ ও যত্নশীল। প্রতিটি বান্দা-বান্দীর জন্যই তিনি তাদের প্রকৃতি ও চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত প্রতিদানের ব্যবস্থা রেখেছেন, যাতে কারও মনে কোনো অতৃপ্তি বা কষ্ট অবশিষ্ট না থাকে। এটাই আল্লাহর অসীম রহমত ও ন্যায়বিচারের এক অনন্য নিদর্শন।
(মাজমুআতুল ফাতাওয়া, ৩/২৬৮; ফাতাওয়া রহীমিয়া, ৫/২৯০)
আরও পড়ুন
আত্মপরিচয়ের সংকটে ভোগা তারুণ্যের জন্য দিকনির্দেশনা
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->যুবসমাজ একটি রাষ্ট্র বা জাতির মস্তিষ্কস্বরূপ। মস্তিষ্কের সজীবতাই যেমন দেহকে সচল রাখে, তেমনি মেধাবী, ন্যায়নিষ্ঠ ও পরিশ্রমী যুবসমাজ রাষ্ট্র বা জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। এ কারণেই যুবসমাজের উৎকর্ষ মানে রাষ্ট্রের উৎকর্ষ, আর তাদের পরিচয় সংকট মানেই রাষ্ট্রের পরিচয় সংকট। বর্তমান যুগের তরুণ-কিশোররা নানা ধরনের মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, যার মধ্যে আত্মপরিচয় সংকট অন্যতম।
বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা অনুযায়ী, ৬০ থেকে ৭৯ শতাংশ তরুণ বা যুবক তাদের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে এই আত্মপরিচয়ের সংকটে ভোগেন। প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী এরিক এরিকসনের তথ্যানুযায়ী, ১২ থেকে ২৫ বছর বয়সটিই মূলত আত্মপরিচয় গঠনের মূল সময়। এই সময় যুবকদের মধ্যে ব্যাপক মানসিক ও সামাজিক পরিবর্তন ঘটে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তরুণদের এই সংকটকে আরও বেশি তীব্র করে তুলেছে।
ইন্টারনেটের এই যুগে হাজারো নকল মানদণ্ডের ভিড়ে নিজের আসল আত্মপরিচয় তৈরি করা তরুণদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। এরই সঙ্গে নানা ধরনের ভ্রান্ত ও অপূর্ণাঙ্গ মতবাদের প্রসারের ফলে তারা প্রতিনিয়ত নিজেদের আবিষ্কার করছে সত্য থেকে আরও দূরে। এছাড়া আত্মপরিচয় গঠনে কোন মানদণ্ড অনুসারে যুবসমাজ কোন চিন্তাধারা গ্রহণ করবে, আর কোনটি বর্জন করবে তা নিয়ে তারা এক চরম সংকটে ভুগছে।
এজন্য আজকের এই যুগে যুবকদের পক্ষে পরিচয় সংকট কাটিয়ে শক্তিশালী আত্মপরিচয় গঠন করা আপাতদৃষ্টিতে অনেক কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু আশার বাণী হলো, ইসলামের শাশ্বত জীবনব্যবস্থা এই সংকট উত্তরণে এক যুগান্তকারী পন্থা আমাদের সামনে উপস্থাপন করে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে ধূসর মরুভূমির মাঝে ইতিহাসের সবচেয়ে আদর্শবান জাতির সূচনা ঘটিয়ে আরব পৌত্তলিকদের সন্তানদের উম্মতের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, ঠিক তেমনি আজও সেই পথ অবলম্বন করে একবিংশ শতকের এই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তারবিয়াত বা মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শিক গঠনপদ্ধতি তরুণ সাহাবিদের অন্তরে এমন এক অটল আত্মবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিল, যা তাদের যুগের সব সামাজিক ও মানসিক সংকটকে জয় করতে শিখিয়েছিল।
এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে উজ্জ্বল উদাহরণ হলেন তার প্রিয় সাহাবারা। যাদের মধ্যে মুসআব ইবনে উমায়ের (রা.) অন্যতম। মুসআব বিন উমায়ের (রা.) ইসলাম গ্রহণের আগে মক্কার কুরাইশদের মধ্যে অন্যতম ধনী, সুদর্শন ও অভিজাত তরুণ ছিলেন। বিলাসবহুল জীবনযাপনই ছিল তার সামাজিক পরিচয়ের অংশ। কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তার মা ও গোত্র তাকে বর্জন করে, তার সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেয় এবং তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ফলে তার বাহ্যিক পরিচয়ে আমূল পরিবর্তন আসে।
কিন্তু তিনি এতে ভেঙে পড়েননি বরং নিজের মুসলিম পরিচয়কে জীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেন। পুরোনো বংশমর্যাদা ও বিলাসী পরিচয়ের পরিবর্তে ‘আল্লাহর বান্দা’ ও ‘রাসুলের অনুসারী’ পরিচয়কে তিনি শ্রেষ্ঠ মনে করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মদিনার প্রথম দূত হিসেবে এক ঐতিহাসিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন।
একইভাবে আলী (রা.) মাত্র ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করে কিশোর ও তরুণদের জন্য এক অনন্য নজির স্থাপন করেন। চরম প্রতিকূল পরিবেশেও তার সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে, বয়স কখনো সঠিক আত্মপরিচয় ও আদর্শ ধারণ করার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। অন্যদিকে, উসামা বিন জায়েদ (রা.) মাত্র ১৮ বছর বয়সে রাসুল (সা.)-এর নির্দেশে এক বিশাল সেনাবাহিনীর সেনাপতির দায়িত্ব লাভ করেন।
রোমান সাম্রাজ্যের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে সাহাবিদের মতো প্রবীণ ও অভিজ্ঞ দলের নেতৃত্ব দেওয়া তার ওপর রাসুল (সা.)-এর অগাধ আস্থা এবং ইসলামের যুববান্ধব নীতিরই বহিঃপ্রকাশ। সাহাবিদের এই সোনালি ইতিহাস আমাদের শেখায় যে, আত্মপরিচয়ের প্রকৃত ভিত্তি কোনো ঠুনকো সামাজিক অবস্থান বা ইন্টারনেটের ভুয়া ট্রেন্ড কিংবা বৈষয়িক চাকচিক্য নয়। এর মূল ভিত্তি হলো মহান সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং নিজের পরিচয়ের প্রথম ভিত্তি মুসলিম নির্ধারণ করা।
লেখক: শিক্ষার্থী, আরবি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আরও পড়ুন
শালীনতা জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মানুষ সামাজিক জীব। একে অপরের সঙ্গে মেলবন্ধন ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে সমাজ। তবে একটি সমাজ কেবল সুন্দর দালানকোঠা বা আধুনিক প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে না; এর প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত থাকে মানুষের আচার-ব্যবহার, নৈতিকতা ও চরিত্রে। আর এই নৈতিকতা ও শিষ্টাচারের অন্যতম ভিত্তি হলো শালীনতা।
শালীনতা মানুষের চরিত্র, পোশাক-পরিচ্ছদ, কথাবার্তা ও আচরণের এমন এক শোভন প্রকাশ, যা ব্যক্তি ও সমাজকে কুরুচিপূর্ণতা, অশ্লীলতা এবং বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করে। একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে শালীনতার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ইসলাম মানুষকে মার্জিত, রুচিশীল, নম্র-ভদ্র ও শালীন হওয়ার শিক্ষা দিয়েছে।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ শালীনতা ও নম্রতার শিক্ষা দিয়েছেন। হজরত লোকমান (আ.) তার পুত্রকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেন, অহংকারবশত তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে চলাফেরা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো উদ্ধত ও অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না। (সুরা লোকমান, ১৮)
শালীনতার অন্যতম ভিত্তি হলো লজ্জাশীলতা। লজ্জাশীলতা মানুষকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে এবং উত্তম চরিত্র গঠনে সহায়তা করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমার যদি লজ্জাই না থাকে, তবে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারো। (বুখারি, ৩৪৮৩)। তিনি আরও বলেছেন, লজ্জাশীলতা পুরোটাই কল্যাণময়। (মুসলিম, ৩৭)। অন্য এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা। (নাসাঈ, ৫০০৫)।
শালীনতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মার্জিত ও রুচিশীল পোশাক-পরিচ্ছদ। ইসলাম মানুষকে এমন পোশাক পরিধানের নির্দেশ দিয়েছে, যা দেহ আবৃত রাখে এবং ব্যক্তিত্বকে মর্যাদাবান করে। শালীন জীবনাচরণ সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে অশোভন আচরণ ও অশালীনতা মানুষে মানুষে দূরত্ব সৃষ্টি করে এবং নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় ঘটায়।
শালীনতার চর্চা শুরু হয় পরিবার থেকে। মাতা-পিতা ও অভিভাবকদের দায়িত্ব হলো ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের মার্জিত পোশাক পরিধান, ভদ্রভাবে কথা বলা, বড়দের সম্মান করা এবং ছোটদের স্নেহ করার শিক্ষা দেওয়া। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নীতি-নৈতিকতা ও শিষ্টাচার গঠনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বাস্তব জীবনের পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতেও শালীনতা বজায় রাখা অপরিহার্য। কারণ একজন মুমিনের চরিত্র কেবল বাস্তব জীবনে নয়, তার অনলাইন আচরণেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
লেখক: সহকারী শিক্ষক
নাদির হোসেন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়
আরও পড়ুন
১৮ অক্টোবর ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ এএম
অক্টোবর মাসের নামাজের সময়সূচির ছবি
-->প্রতিদিন সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি এবং ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত।
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন ‘নামাজ’। (বুখারি, ৫২৭)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ‘তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় করো যেভাবে আমাকে নামাজ আদায় করতে দেখেছ।’ (বুখারি, ৬৩১)
আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার। নামাজের জন্য আজকের ওয়াক্তসমূহ:
আজকের নামাজের সময়সূচি:
☀ জোহর: ১১:৪৭ মিনিট
⛅ আসর: ৩:৫৩ মিনিট
🌅 মাগরিব: ৫:৩৩ মিনিট
🌌 এশা: ৬:৪৭ মিনিট
🌅 ফজর (১৯ অক্টোবর): ৪:৪৩ মিনিট
বিভাগীয় শহরের সময় সমন্বয়:
বিয়োগ: চট্টগ্রাম ৫ মিনিট | সিলেট ৬ মিনিট
যোগ: খুলনা ৩ মিনিট | রাজশাহী ৭ মিনিট | রংপুর ৮ মিনিট | বরিশাল ১ মিনিট
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
