অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক মার্কিন নারী আলোকচিত্র সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের সহিংসতা বন্ধে ইসরায়েলকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, পশ্চিম তীরে নতুন কোনো সংকট বা উত্তেজনা দেখতে চান না প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও এসব কথা বলেন। মার্কিন আলোকচিত্র সাংবাদিক হেইডি লেভিনের ওপর হামলার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র আগেও বলেছে এবং এখনো সেই আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রুবিও জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের একটি দলের হামলার মধ্যে পড়ে মারধরের শিকার হন লেভিন। ঘটনাটিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদন ও দৃশ্য দেখে পরিস্থিতি ভালো মনে হয়নি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে বর্তমান হামলার বিষয়ে তার অবস্থানের কোনো বিরোধ রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অর্থ এই নয় যে ট্রাম্প এখনকার সহিংসতাকে সমর্থন করেন।
তিনি বলেন, টেলিভিশনে যা দেখা যাচ্ছে কিংবা সংবাদমাধ্যমে যা প্রকাশিত হচ্ছে, তা সমর্থন করেন— নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত থেকে এমন ধারণা নেওয়ার সুযোগ নেই।
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন রুবিও। তার ভাষ্য, এ সময়ে ঐতিহ্যগতভাবেই ওই এলাকায় মানুষের সমাগম বাড়ে। ফলে নিরাপত্তা ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। লেবাননেও একই ধরনের উদ্বেগ তৈরি হতে পারে বলে জানান তিনি।