
কুমিল্লায় তিন ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাল
কুমিল্লা জেলা সংবাদদাতা, ১২ অক্টোবর: কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তিনটি ওয়ার্ডে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের তথ্য সংগ্রহ শুরু হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সিটি করপোরেশনের ১, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তিনটি ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য দুজন সুপারভাইজার ও ২০ জন তথ্য সংগ্রহকারী দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁরা মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশেষায়িত ট্যাবলেট ব্যবহার করে সরেজমিনে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। আগামীকাল সকালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের মিলনায়তনে তথ্য সংগ্রহকারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হাসান দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। সংবাদ সম্মেলনের কার্যক্রম ভিডিওর মাধ্যমে প্রদর্শনের পাশাপাশি কুমিল্লায় তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুল ইসলাম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক ফারহানা আমিন, সহকারী পরিচালক মো. তারিক সালমান, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আশিকুল ইসলাম, সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মইনুদ্দিন চিশতী, সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান মজুমদার। তাঁরা তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় দেশের আটটি বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা এবং সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।
সভাপতি আরও জানান, কুমিল্লায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যে ১৫৯ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৬ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রশিক্ষণ এবং সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ শেষে পিএমটি পদ্ধতিতে ডেটাবেজের তথ্য যাচাই-বাছাই করে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
ক্যাটেগরি: বৃহত্তর কুমিল্লা
ট্যাগ: বৃহত্তর কুমিল্লা আন্তর্জাতিক রাজনীতি
