ফরিদপুরের পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। এই দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি ও সদর উপজেলার কানাইপুরে এই ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা সবাই মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা। তারা ফরিদপুরে রেড ক্রিসেন্টের একটি রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফিরছিলেন। তাদের একজনের নাম রাব্বি (২১)। অন্য নিহতদের পরিচয় এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। এদের মধ্যে আহত দুজন হলেন সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১)। তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি বলেন, ঢাকাগামী কিংফিশার পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনস্থলেই তিনজন নিহত হন। আমরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
অপরদিকে বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় বালু বোঝাই ট্রাক, প্রাইভেট কার ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা ও শিশুসন্তানসহ অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন অটোরিকশার যাত্রী সুমি আক্তার (৪০) ও তার শিশুসন্তান শাওন (৮)। এ ঘটনায় আহত হন তার স্বামী পলাশ উদ্দিন। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বাড়ির মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার মহেশপুর গ্রামে। নিহত অটোরিকশাচালকের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় বালুবোঝাই ট্রাক, প্রাইভেট কার ও অটোরিকশার মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে এক নারী ও তার শিশু সন্তানসহ অটোরিকশাচালক নিহত হন। আহত হন আরও দুজন। তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শ্রীবাস বারুই জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
