মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে সোমবার ইশরাক হোসেন পদত্যাগ করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি তা গ্রহণ করেন। ফলে সেদিন থেকেই তার পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে। ওইদিন দুপুরে কয়েকশ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন ইশরাক।
অস্ত্র হাতে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’ চালানোর ভিডিও নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তার কারণে বিএনপি বা সরকার যাতে বিব্রত না হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কাজ আড়ালে পড়ে না যায়, সেজন্যই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে ১৭ অক্টোবর বিকালে নিজের ফেসবুক পেজে গেণ্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন ইশরাক হোসেন। একটি ভিডিওতে গেণ্ডারিয়ার রেললাইনের পাশের একটি এলাকায় তাকে অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তির হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ওই ঘটনার পর নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। একজন জনপ্রতিনিধি এভাবে অস্ত্র হাতে অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কিনা এমন প্রশ্ন ওঠে।
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন আহমেদ আযম খান। তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ইশরাক।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভায় ২৬ জন পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ২৪ জন। ইশরাকের পদত্যাগের পর প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৩ জনে।
ইশরাক হেসেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে।
