আগুনে জ্বলছে ধূপকাঠি কারখানানিজস্ব চিত্র
Published on
:
1 min read
ধূপকাঠি তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। রবিবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের বালিসা এলাকার ঘটনা। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে গোটা কারখানা। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। কী ভাবে আগুন লাগল খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
দমকল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ কাজ শেষ করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান কর্মীরা। সন্ধ্যার কিছু পরে আচমকাই আগুনের ফুলকি চোখে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রথমে তাঁরাই জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কারখানায় প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় খবর দেওয়া হয় দমকলে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কারখানায় দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকলের কর্মীদের। তবে কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কারখানার কর্মীরা। দুর্গাপুজোর আগে এমন ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন তাঁরা। কারখানার কর্মী সঞ্জয় মুণ্ডার কথায়, ‘প্রতি রবিবার মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়। আজও আমরা পাঁচটা পর্যন্ত ছিলাম। তার পরে কী ভাবে আগুন লাগল বুঝতে পারছি না।’ এর আগেও কারখানায় একাধিক বার আগুন লেগেছে বলে জানান তিনি।
দুর্গাপুজোর আগে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জীবিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কারখানার কর্মীরা। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি কারখানার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কী ভাবে আগুন লাগল খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
