পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রধান রাজনৈতিক ঘাঁটি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি, প্রাদেশিক সরকার স্থগিত এবং গভর্নরের শাসনসহ সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি থমথমে হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সরকার টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান চালাতে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগে কেন্দ্র থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসনের বিরুদ্ধে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকেরা তীব্র প্রতিবাদ জানালে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে পুলিশের গুলিতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর ধরে প্রদেশটিতে পিটিআই ক্ষমতায় থাকায় এবং টানা এক সপ্তাহ ধরে সেখানে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার সমর্থকের মিছিল-সমাবেশ চলার পর হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সাংবাদিক ও বিশ্লেষক আরিফা নূর মনে করেন, কেবল সন্ত্রাসবাদ দমন নয়, বরং পিটিআই-এর নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারকে মেনে নিতে কেন্দ্রীয় সরকারের অনীহাও এই সিদ্ধান্তের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরাও জনমত ও নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে উপেক্ষা করে চার কোটি মানুষের ওপর এই কেন্দ্র-নির্ধারিত শাসন চাপিয়ে দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা
