আজকাল ওয়েবডেস্ক: ১৫ বছর ধরে পরকীয়া। বিয়ের জন্য জোরাজুরি। বিবাহিত প্রেমিকার অনুরোধ সত্ত্বেও দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না প্রেমিক। যা ঘিরে অশান্তিও চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। অবশেষে রাগের মাথায় প্রেমিকাকেই নৃশংসভাবে খুন করলেন যুবক।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, ৩৮ বছর বয়সি মৃত যুবতী আদতে বিবাহিত। তাঁর ১৩ ও ১১ বছরের দুই সন্তান রয়েছে। স্বামী, দুই সন্তানের সঙ্গেই তিনি থাকতেন। গত ১৫ বছর ধরে জাভেদ নামের এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে ছিলেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত জাভেদ জলগাঁওয়ের বাসিন্দা ছিলেন। নাগপুরে এয়ার কন্ডিশনার টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করেন। প্রথম বিয়ে ভেঙে জাভেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চেয়েছিলেন ওই গৃহবধূ। কিন্তু জাভেদও বিবাহিত ছিলেন। দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে তিনি রাজি ছিলেন না। যা ঘিরেই প্রেমিক যুগলের মধ্যে প্রায়শই তুমুল ঝামেলা হত।
গত রবিবার ফাঁকা বাড়িতে গৃহবধূর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন জাভেদ। সেই সময় বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তুমুল ঝামেলা শুরু হয় দু'জনের মধ্যে। অশান্তির মাঝে ভারী বস্তু দিয়ে গৃহবধূর মাথায় সজোরে আঘাত করেন জাভেদ। মৃত্যু নিশ্চিত করতে রুম হিটার দিয়ে তাঁর শরীর পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন।
খুনের পরেই ট্রেন ধরে জলগাঁওয়ে পাড়ি দেন ওই যুবক। সোমবার সকালে স্বামী, সন্তানরা বাড়ি ফেরার পরেই বিষয়টি জানাজানি হয়। পরিবারের সদস্যদের প্রথমে সন্দেহ হয়েছিল, ইলেকট্রিক শকেই সম্ভবত গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দেহ ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, মাথায় চোট পেয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপর মঙ্গলবার অভিযুক্ত জাভেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
