দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বিএনপি নেতার স্ত্রী সোনিয়া খাতুনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত বয়সসীমা অতিক্রম করা সত্ত্বেও চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম আসা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিল।
তার পরিবর্তে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম।
সোনিয়া খাতুন আড়বাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম জেনেটের স্ত্রী। প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তার রোল নম্বর ছিল ৪৬৭।
উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর এ নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল ৪০ বছর। তবে সোনিয়া খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার জন্ম ১৯৮৪ সালে। সেই হিসাবে বর্তমানে তার বয়স ৪২ বছর।
সোনিয়া খাতুন আগে জানিয়েছিলেন, বয়স বেশি হওয়ায় ভাইভার দিন তার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। পরীক্ষকরা তাকে জানিয়েছিলেন, বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়ায় ভাইভা নেওয়া সম্ভব নয়। অথচ পরবর্তীতে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলের তালিকায় তার নাম চলে আসে।
তবে এ বিষয়ে লালপুরের ইউএনও কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জেনেছি, তিনি ভাইভা দিয়েছিলেন এবং সেখানে তার স্বাক্ষরও রয়েছে। তবে তার নির্ধারিত বয়সসীমা অতিক্রম করার তথ্যটি সঠিক। এ কারণে তাকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।