ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠছে—তা জানার অপেক্ষার মুহূর্তগুলো পরিবারের জন্য কতটা মানসিক চাপের, সেটাই যেন অকপটে স্বীকার করলেন হ্যারি কেইন।
গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৬১টি গোল এবং জাতীয় দল ইংল্যান্ডের হয়ে আরও ১২টি গোল করার পর ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জেতার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক কেইন।
আগামী সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়ামে ঘোষণা করা হবে বিজয়ীর নাম। আগেভাগে ফল জেনে যাওয়ার আগ্রহ থাকলেও কেইনের মতে, এই অনিশ্চয়তা ও টানটান উত্তেজনাই তো অনুষ্ঠানের আসল মজা।
কেইন বলেন, ‘আমি চেষ্টা করি এটা নিয়ে না ভাবতে; তবে শত চেষ্টা করলেও মাথায় চলে আসেই। চারপাশে সব সময়ই নানান গুঞ্জন ও খবর ছড়াতে থাকে, তাই এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।’
পরিবারের মানসিক চাপের কথা জানিয়ে কেইন আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় ফলটা আগে জেনে যেতে পারলে আমার স্ত্রী ও পরিবারের জন্য খুব ভালো হতো। সবার জন্যই ব্যাপারটা বেশ টেনশনের।’
কেইন আরও বলেন, ‘তবে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাদের হাতে, সেখানে আমার কোনো হাত নেই। তাই অহেতুক চিন্তায় না ভুগে আমাদের স্রেফ মুহূর্তটি উপভোগ করতে হবে।’
স্ট্যানলি ম্যাথিউস, ববি চার্লটন, কেভিন কিগান এবং মাইকেল ওয়েনের পর পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জয়ের ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন কেইন। যদি সত্যি এই পুরষ্কার তার হাতে উঠে, তবে দীর্ঘ ২৫ বছর পর কোনো ইংলিশ ফুটবলার এই সম্মাননা পাবেন।
এই মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ে হ্যারি কেইনের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বার্সেলোনার উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল এবং রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে।