Published on
:
1 min read
মেয়ের মৃত্যুর পর তার বাবা শেষকৃত্যের জন্য তাকে কফিনবন্দি করে রেখেছিলেন। চারপাশে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়। সবাই শোকপ্রকাশ করছিলেন। কিন্তু হঠাৎই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য ঘটনা। কফিনের ভিতর নড়াচড়া করতে শুরু করে কিশোরী। কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠেও বসে সে। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে। দেখুন ভিডিয়ো...
Una joven de 15 años fue dada por muerta y despertó en su ataúd tras ocho horas en un velorio en Guatemala https://t.co/bI58jZJfax
— Errete en Español (@erreteespanol) October 11, 2026
কী ঘটেছে?
গুয়াতেমালার এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ওই কিশোরীর নাম ইউলেইদি ইক্সকোটোয়াক (Yuleidy Ixcotoyac)। তার বয়স ১৫। গত ১০ অক্টোবর শনিবার সকালে বাবার সঙ্গে গাড়িতে যাওয়ার সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্ঞান হারায় কিশোরী।
গাড়ি থামিয়ে মেয়ের শ্বাসপ্রশ্বাস পরীক্ষা করেন বাবা। তাঁর দাবি, তিনি মেয়ের হাতের নাড়িও দেখেন। তা চলছিল না। শ্বাসপ্রশ্বাসও চলছিল না। তখন তিনি মেয়েকে মৃত বলে ধরে নেন।
তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গিয়েছে, কোনও চিকিৎসক ইউলেইদিকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেননি। এমনকী তাঁর যে মৃত্যু হয়েছে, এর জন্য কোনও ডেথ সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে তাঁর বাবা। পরিবারের লোকজনই মেয়ের মৃত্যুর শেষকৃত্যের আয়োজন করে।
কফিনের ভিতর নড়াচড়া, তার পরেই চমক
কিশোরীর মা জানিয়েছেন, তিনিই প্রথম লক্ষ্য করেন, কফিনের ভিতরে মেয়ে নড়াচড়া করছে। মেয়ের কফিনের একটি অংশ খোলা হয়েছিল। তখনই তিনি দেখতে পান যে তাঁর মেয়ে সামান্য হাত, পা নাড়াচ্ছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইউলেইদি উঠে বসে।
কী বলছে কিশোরী ও তার পরিবার?
ইউলেইদির বেঁচে ওঠাকে অনেকেই ‘অলৌকিক ঘটনা’ বলেছেন। কারণ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রায় ৮ ঘণ্টা পর তাঁর জ্ঞান ফিরেছিল বলে জানিয়েছে পরিবার। জ্ঞান ফেরার পর কিশোরী জানিয়েছে, শনিবার হঠাৎই তার বুকে খুব ব্যথা হচ্ছিল। শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। তারপরই সে জ্ঞান হারায়।
ঠিক কী কারণে সে জ্ঞান হারিয়েছিল এবং কী ভাবে পরে তার জ্ঞান ফিরে আসে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বর্তমানে মেয়ের চিকিৎসা চলছে বলে জানিয়েছে পরিবার।
