নৌভ্রমণে সতর্কতা: কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণের সময় প্রত্যেক পর্যটককে লাইফ জ্যাকেট পরতে হবে। নৌযানের ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী ওঠা থেকে বিরত থাকতে হবে। ঝড়, বৃষ্টি বা বৈরী আবহাওয়ায় নৌভ্রমণ করা যাবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং নৌযান চলাচলের সময় পানিতে ঝাঁপ দেওয়া বা নৌকার কিনারায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসা থেকে বিরত থাকতে হবে।
বন্য হাতি থেকে নিরাপদ দূরত্ব: কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন সড়ক, পাহাড়ের পাদদেশ ও বনসংলগ্ন এলাকায় বন্য হাতির দেখা মিলতে পারে। হাতি দেখলে কাছে যাওয়া, ছবি তোলার জন্য ধাওয়া করা, খাবার দেওয়া কিংবা বিরক্ত করা যাবে না। হাতির চলাচলের পথ আটকে না দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে হবে। হাতির মুখোমুখি হলে কাছে যাওয়ার চেষ্টা না করে স্থানীয় বন বিভাগ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
আবাসন ও যাতায়াত: অধিকাংশ রিসোর্টে আগাম বুকিং হয়ে যাওয়ায় যাত্রার আগে আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। অপরিচিত ব্যক্তির কাছে অগ্রিম টাকা পাঠানোর আগে বুকিংয়ের সত্যতা যাচাই করতে হবে। পাহাড়ি সড়কে চলাচলের সময় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং চালকের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।
পরিবেশ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা: হ্রদ, নদী ও পাহাড়ি এলাকায় নির্ধারিত নিরাপদ স্থান ছাড়া পানিতে নামা বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ছবি তোলা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা যাবে না। জরুরি প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট পর্যটনকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সহায়তা নিতে হবে।
সবার আগে নিরাপত্তা: আনন্দময় ভ্রমণের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে যাত্রা করা, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভ্রমণ বা নৌযাত্রা বন্ধ রাখাই হবে সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
The post কাপ্তাই ভ্রমণে আসা পর্যটকদের কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। appeared first on Ctgtimes.com.
