এসআইআরের মাধ্যমে ভোট চুরি হয়েছে। এটাই প্রধান অভিযোগ কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির। এর প্রতিবাদেই সোমবার পদযাত্রা করে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এবার জানা গেল, এদিনের পিটিশন নির্বাচন কমিশনের নেওয়া এসআইআর ও অন্যান্য সিদ্ধান্তের বিষয়ে দশ ধরনের প্রতিকার দাবি করা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ।
রাজপথে প্রবল জনস্রোতের কারণে এদিন সময় মতো (বিকেল সাড়ে চারটের মধ্যে) সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে পারেননি রাহুল গান্ধী। যদিও তাঁর হয়ে সর্বোচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেন আইনজীবী এস প্রসন্ন। সোমবার ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বিশাল পদযাত্রায় রাহুল গান্ধী ছাড়াও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরজেডি-র তেজস্বী যাদব ছাড়াও ছিলেন একাধিক বাম নেতা। রাহুলের পাশাপাশে হাঁটতে দেখা গিয়েছে নেহা বোরাকে।
রবিবারই ‘সুপ্রিম কোর্ট অভিযান’-এর কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী শিবির ‘ইন্ডিয়া’ জোট। ঠিক হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতে গিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেবেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী শীর্ষনেতারা। যদিও গতকাল রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সময় দিতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি জানান, তারা (ইন্ডি জোট) যে বিষয় উত্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন, সেগুলি ইতিমধ্যে বিচারাধীন এবং সুপ্রিম কোর্টে সেগুলির শুনানি চলছে। আদালত রাজনীতি করার জায়গা নয় বলেও বার্তা দেন তিনি।
এরপরেও এদিন পদযাত্রা করে শীর্ষ আদালত চত্বরে পৌঁছান রাহুল গান্ধী এবং নেতৃবৃন্দ। তাঁদের হয়ে আগেভাগে পিটিশন জমা দেন আইনজীবী এস প্রসন্ন। সেখানে যে দশটি প্রধান বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে এসআইআর-এ স্থগিতাদেশ ছাড়াও রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি।
