পর্তুগিজ ফেডারেশনের সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সংকট শেষ হতে চলেছে। সোমবার জাতীয় দলের অধিনায়ককে শাস্তি দিয়েছে তারা।
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৩০ দিনের। একই সঙ্গে ২৫৫ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৫,৩৮৩ টাকা। ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মেইল-এর তথ্য অনুযায়ী, রোনালদোর এই জরিমানার টাকা তুলতে লাগবে এক মিনিটেরও কম। সৌদি ক্লাব আল নাসরে তার দৈনিক আয় ৪ লাখ ৮৮ হাজার পাউন্ড, বাংলাদেশি ৮ কোটি টাকার সমমান। এই ৩৫ হাজার টাকা তুলতে রোনালদোর সময় লাগবে মাত্র ৩৮ সেকেন্ড।
আরও পড়ুন
২৭ সেপ্টেম্বর নরওয়ের বিপক্ষে গত সেপ্টেম্বরের ম্যাচে বেঞ্চে ছিলেন রোনালদো। তাকে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানোর জন্য ওয়ার্মআপ করতে বললেও কথা রাখেননি জেসুস। পুরো ম্যাচে বেঞ্চ গরম করেন তিনি। তারপর ১ অক্টোবর ডেনমার্কের বিপক্ষেও খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় ম্যাচ শুরুর একদিন আগে ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী।
রোনালদো পরে এক দীর্ঘ বিবৃতিতে জানান, কোচ দুইবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার কারণে তিনি ক্যাম্প ছেড়েছেন। তার বিরুদ্ধে চরম বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেন ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
আল নাসর তারকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়ে গেছে ডেনমার্ক ম্যাচের দিন থেকে। মানে ইতোমধ্যেই নিষেধাজ্ঞার ১৯ দিন পার করে ফেলেছেন এবং পর্তুগালের কোনো ম্যাচেই তাকে বাইরে থাকতে হবে না। আগামী ১৪ নভেম্বর ডেনমার্কের বিপক্ষে নেশনস লিগে খেলবে পর্তুগাল। তিন দিন পর ওয়েলসের সঙ্গে খেলা।
এফপিএফ-এর শৃঙ্খলা কমিটি বলেছে যে, তারা রোনালদোর বিবৃতিতে প্রকাশিত ‘অনুশোচনা’ এবং ‘ফুটবলে তার অবদান ও ক্রীড়ানৈপুণ্যের স্বীকৃতি’ বিবেচনায় নিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, রোনালদো আত্মপক্ষ সমর্থনে তার পুরস্কার ও অর্জনসহ একটি জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন। তিনি কমিটিকে তার আগের বিবৃতির কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে তিনি নিজের কৃতকর্মের দায় স্বীকার করেছেন এবং সতীর্থ ও ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। একই সঙ্গে নিজের শাস্তিও দাবি করেছেন।
পর্তুগাল কোচ জেসুস রোনালদোর সঙ্গে কোনো চুক্তির কথা অস্বীকার করলেও তার ফেরার দরজা খোলা রেখেছেন। এফপিএফ প্রেসিডেন্ট পেদ্রো প্রোয়েনকা পর্তুগিজ আউটলেট রেকর্ড-কে বলেছেন, বিষয়টির সমাধান হলেই রোনালদোকে জাতীয় দলে ফেরানোর ‘প্রবল ইচ্ছা’ রয়েছে।
এফএইচএম
