Published on
:
1 min read
স্নেহা চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন ডিএসপি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) দেবাঞ্জন সেন। এ ছাড়া রয়েছেন কোতোয়ালি থানার আইসি সিদ্ধার্থ ঘোষ, সাইবার ক্রাইম থানার আইসি উৎপলকুমার সাহা, মেদিনীপুর মহিলা থানার আইসি কবিতা দাস, মামলার তদন্তকারী অফিসার সুমিত সেনাপতি, এবং প্রীতম বিশ্বাস।
গত ৮ অক্টোবর মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন যমুনাবালিতে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় স্নেহার দেহ। এই ঘটনার পরের দিন গ্রেপ্তার হন স্বামী রণদীপ এবং শ্বশুর রতন জানা। চার দিনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বুধবার রণদীপকে মেদিনীপুর আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। বিচারক আবার তাঁকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। রতন জেল হেফাজতেই রয়েছেন। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘যাঁদের নামে অভিযোগ, তাঁদের মধ্যে ২ জন ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। অভিযুক্ত ছেলেটির মা, ভাই এবং বন্ধু বাশারকে পুলিশ খুঁজছে। আরও কিছু বিষয় জানার জন্য রণদীপ জানাকে ফের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর স্নেহার বাপের বাড়ির তরফে যে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় থানায়, তাতে বলা হয়েছিল, গত ৭ অক্টোবর রাতে রণদীপ বাড়িতে নতুন গাড়ি (বিএমডব্লিউ) কিনে এনেছিলেন। কিন্তু তাতে স্নেহার মত ছিল না। সে দিন রাতে রণদীপ স্নেহা নিজের বন্ধুবান্ধবদের সামনে অপমান, এমনকী মারধরও করেন। শুধু রণদীপই নন, তাঁর এক বন্ধু বাশারকে স্নেহাকে কুমন্তব্য করেছেন। রণদীপ তাঁর প্রতিবাদও করেননি। অতীতেও তাঁদের মেয়েকে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন স্নেহার বাপের বাড়ির লোকেরা।
