Published : 19 Oct 2026, 08:37 PM
Updated : 19 Oct 2026, 09:01 PM
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বাকি মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
২০২৪ সালের শেষ দিকে দায়িত্ব পাওয়া এ তিনজনের চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করে আলাদা চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্তণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন- সোনালী ব্যাংকের শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মজিবুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
এখন ব্যাংকগুলোর পর্ষদ তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবে বলে একটি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন। রাষ্ট্রায়ত্ত এসব ব্যাংকে এমডি হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়ে থাকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত আরও দুই ব্যাংক বেসিক ও অগ্রণীর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অবশিষ্ট মেয়াদের নিয়োগ বাতিল করে সরকার। তখন থেকে ব্যাংক দুটি ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিয়ে চলছে।
এ নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ শূন্য হলো।
সোমবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘‘পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অনুযায়ী মো. মজিবর রহমানের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সুপারিশ ও সম্মতি দেওয়া হয়েছে।’’
চিঠি পাওয়ার তথ্য দিয়ে ফজলুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সরকার মজিবুর রহমানের নিয়োগ বাতিল করেছে।
চব্বিশের আন্দোলনে সরকারের পট বদলের পরে ২০২৪ সালের নভেম্বর জনতা ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থাকা মজিবরকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সোমবার আরেক প্রজ্ঞাপনে আর্থিক প্রতিষ্ঠান রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদও বাতিল করে।
এ সংক্রান্ত চিঠি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নজরুল হুদার কাছে পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়।
ওয়াহিদুল ইসলামকে সোনালী ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে।
আরেক আদেশে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
২০২৪ সালের ৩০ অক্টেবর তাকে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় তিন বছরের জন্য। সোনালী ব্যাংকে নিয়ে আসার আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
