প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে রাজশাহীতে প্রস্তুত করা হচ্ছে সর্বাত্মক আয়োজন। সফরের অংশ হিসেবে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নগরবাসীর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠানস্থলের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম রাজশাহী সফর। উত্তরাঞ্চলের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি এবং স্থানীয় আখচাষিদের সার্বিক সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বার্তা প্রদান করবেন বলে জানান তিনি।
সফরের বিশেষ তাৎপর্য তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত রাজশাহীর মাটিতে তারেক রহমানের এই সফর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এ সফরকালে অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বেশ কিছু মৌলিক প্রয়োজনীয়তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হবে।
দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে- কৃষি বীজ সংরক্ষণের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, রাজশাহী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর, কৃষিভিত্তিক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভবন নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করা, একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রাজশাহীকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'শিক্ষানগরী' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।
এর আগে সমন্বিত প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করেন স্থানিয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ও আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির এবং জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামসহ বেসামরিক ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেএইচআর
