পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ়ে ৪৩০ রান তাড়া করে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এক দিনের ক্রিকেটে সফল রান তাড়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নজির তৈরি করেছে শ্রীলঙ্কা। পাশাপাশি এই ম্যাচে হয়েছে আরও চারটি রেকর্ড।
সবচেয়ে বেশি চার
প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড করে ৪ উইকেটে ৪২৯ রান। জবাবে ১ বল বাকি থাকতে শ্রীলঙ্কা করে ৪৯.৫ ওভারে ৮ উইকেটে ৪৩০ রান। দু’দল মিলিয়ে ৮৫৯ রান করেছে। তার মধ্যে ৫৫২ রান হয়েছে বাউন্ডারি থেকে। দু’দলের ব্যাটারেরা চার মেরেছেন ৯৩টি। তা থেকে হয়েছে ৩৭২ রান। ম্যাচে ছয় হয়েছে ৩০টি। ছয় থেকে হয়েছে মোট ১৮০ রান। এর আগে এত বাউন্ডারি কোনও এক দিনের ম্যাচে হয়নি। নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে। এর আগে সবচেয়ে বেশি চার হয়েছিল ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে সাউথ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে। ওই ম্যাচে ৮৭টি চার মেরেছিলেন দু’দলের ক্রিকেটারেরা।
চার-ছয় মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি রান
চার এবং ছয় মিলিয়েও সবচেয়ে বেশি রান হয়েছে ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে। ২০১৯ সালে সেন্ট জর্জে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়-ইংল্যান্ড ম্যাচে ৬৪টি চার এবং ৪৮টি ছয় মিলিয়ে মোট ৫৩২ রান হয়েছিল। সেই নজিরকেও ছাপিয়ে গিয়েছে বৃহস্পতিবারের রাওয়ালপিন্ডির ম্যাচ।
রান তাড়া করে জয়ের নজির
এক দিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের নজির রয়েছে সাউথ আফ্রিকার। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে ৪৩৫ রান তাড়া করে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল প্রোটিয়ারা। তার পরে থাকল শ্রীলঙ্কার ৪৩০ রান তাড়া করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়। শ্রীলঙ্কা টপকে গেল ভারতের নজিরকে। কয়েক দিন আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়কে ৪০৬ রান তাড়া করে হারিয়ে ছিলেন শুভমন গিলেরা।
এক দিনের ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান
এক দিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান হওয়ার নিরিখেও বৃহস্পতিবারের ম্যাচ জায়গা করে নিয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ২০০৬ সালের সাউথ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে হয়েছিল ৮৭২ রান। ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে উঠেছে ৮৫৯ রান। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে চলে গেল ২০০৯ সালে রাজকোটের ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। সেই ম্যাচে উঠেছিল ৮২৫ রান।
ব্রুকের হতাশার নজির
একটি নজির তৈরি করেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকও। তবে তা হতাশার। এই প্রথম কোনও ব্যাটার এক দিনের ক্রিকেটে দ্বিশতরান করার পরও তাঁর দল হারল। বৃহস্পতিবার ব্রুক খেলেন ১১৬ বলে ২০২ রানের ইনিংস। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল জ়িম্বাবোয়ের চার্লস কভেন্ট্রির দখলে। তিনি অপরাজিত ১৯৪ রানের ইনিংস খেলার পরও বাংলাদেশের কাছে ২০০৯ সালে বুলাওয়ায় হেরে গিয়েছিল জ়িম্ববোয়ে।
