Published on
:
1 min read
উৎসবের মরশুমে দেশের বাজারে চিনির জোগান স্বাভাবিক রাখতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। অপরিশোধিত চিনির (Raw Sugar) আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের সময়সীমা বাড়িয়েছে কেন্দ্র। দেশে চিনির দাম নাগালে রাখতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। Tariff Rate Quota (TRQ)-র মাধ্যমে এ ভাবে অপরিশোধিত চিনি আমদানির সময়সীমা শেষ হচ্ছে ৩১ অক্টোবর। নয়া সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর। অগস্টেই কেন্দ্র জানিয়েছিল, ওই কোটার অধীনে ভারতে ১০ লক্ষ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করা যাবে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ২.৬ লক্ষ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি করা হয়েছে।
কেন কেন্দ্র সময়সীমা বাড়াল?
ভারতে উৎসবের মরশুমে চিনির চাহিদা বাড়ে। এদিকে এই বছরে দেশে চিনির উৎপাদন কম হতে পারে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে দেশে ৩৪৩ লক্ষ টন চিনি উৎপাদন হবে বলে পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু সেটা পরে নেমে এসেছে ৩০৬ লক্ষ টন।
এখনও পর্যন্ত যা হিসেব, তাতে নির্ধারিত সীমার চেয়ে অনেকটাই কম আমদানি হয়েছে। কেন? সংবাদমাধ্যমকে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক স্তরে অপরিশোধিত চিনির দামের উপর নজর থাকে তাঁদের। যে দামে পেলে আমদানি করে দেশের বাজারে ব্যবসা করা সম্ভব, সেই দামের জন্য অপেক্ষা করেন তাঁরা।
চিনির দাম নাগালে রাখতে পদক্ষেপ:
দেশের বাজারে চিনির দাম নাগালে রাখার জন্য আমদানির সময়সীমা বৃদ্ধি ছাড়াও একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। চিনি মজুতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে দেশের বাজারে জোগানে ঘাটতি না হয়। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, ১ অগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চিনি ব্যবসায়ীদের মজুতের ঊর্ধ্বসীমা ৪০০ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ১ সেপ্টেম্বর থেকে বড় ক্রেতারা ১৫ দিনের ব্যবহারের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না।