চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন হচ্ছে, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ১১:১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। ছবি- সংগৃহীত।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
চাঁদাবাজরা হয় সন্ত্রাসী, নয়তো কোনো না কোনো ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসে কমিউনিটি পুলিশিংবিষয়ক সুধী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এসব কথা বলেন।
আলী হোসেন ফকির বলেন, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সমাজে প্রভাবশালী। তাঁদের কেউ সন্ত্রাসী, আবার কেউ ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। ভয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে কেউ সাক্ষ্য দিতে বা থানায় অভিযোগ করতে চান না।
আইজিপি বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে নতুন আইন করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মাধ্যমে পুলিশ নিজ উদ্যোগে মামলা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর অভিযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে না। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণসহ যেকোনো ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হবে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে এ বিষয়ে নতুন আইন হতে পারে বলেও জানান তিনি।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশবিহীন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলেছে। এখন পুলিশ মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং সর্বত্র কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে সব সমস্যার সমাধান রাতারাতি সম্ভব নয়। আগের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আইজিপি বলেন, তাঁরা মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে চান। তবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পরও অনেকে একই অপরাধে জড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।
খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু অপরাধী খুন হচ্ছে, আবার কেউ খুন করছে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অপরাধ দমনে বলপ্রয়োগ করলে পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলা হয়, আবার বলপ্রয়োগ না করলে দুর্বল বলা হয়। পুলিশ এ ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে চায়।
মাদক নির্মূলের বিষয়ে আইজিপি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে মাদককে স্বীকৃতি দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

