Published on
:
2 min read
বিধানসভা নির্বাচনের পরে প্রথম বড় পরীক্ষা ছিল রাজ্যের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন। বিপুল নম্বর পেয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিজেপি। পুজোর মরশুম কাটলেই রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হবে। যার মধ্যে রয়েছে অন্যতম বড় দুই পুরসভা- কলকাতা ও হাওড়া। সোমবার উপনির্বাচনের বিজয় মিছিল থেকে এই দুই পুরসভায় বিপুল জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিপুল জয়ের জন্য জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ দিন মুরলীধর সেন লেন থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত বিজয় মিছিল করে বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দুই জয়ী প্রার্থী-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা ও নেত্রীরা। মিছিল শেষে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আয়োজিত সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায় ডবল ইঞ্জিন দিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন দিতে হবে। আপনারা দেবেন তো? হাওড়া-কলকাতা পুরসভা দিতে হবে।’
নন্দীগ্রামে এবং বিশেষত রেজিনগরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপির পাশে থাকায় ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এ দিনের সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘আগে বলা হতো, বিজেপি ক্ষমতায় এলে একটি সম্প্রদায় ধর্মপালনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। তাঁদের বেছে বেছে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। তাঁরা দেখেছেন, ভোট না দেওয়া সত্ত্বেও মোদীর নেতৃত্বে বিজয়রথ আটকানো যায়নি। তাই তাঁরা আজ মূল স্রোতে এসে পশ্চিমবঙ্গের নবনির্মাণ ও উন্নয়ন, প্রগতির জন্য আজকে আমরা এক জায়গা এসেছি।’
এ দিনের সভায় শুভেন্দু বুঝিয়ে দেন, এর পরের টার্গেট কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা। রাজ্যে পালাবদলের পরে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করার পরে কমিশনার বসিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। হাওড়া পুরসভাতেও একই অবস্থা। এ বার পশ্চিবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দু’টি পুরসভা দখলে মরিয়া রাজ্যের শাসক দল। শুভেন্দু বলেন, ‘নন্দীগ্রামে গিয়ে বলেছিলাম, ফলতার রেকর্ড ভেঙে দিতে হবে। ফলতার উপনির্বাচনে ১ লক্ষ ৯ হাজার ব্যবধান থেকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ব্যবধান ১ লক্ষ ২২ হয়েছে। এ বার পুরসভায় পদ্ম ফুটবে। ট্রিপল ইঞ্জিন হবে।’
