নোয়াখালীতে লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে ১ হাজার ২৩৮ টাকা
গাজী রুবেল, নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
- আপডেট সময় : ০৩:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নোয়াখালীর চাটখিলে এক গ্রাহকের ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার ‘ভুতুড়ে বিল’ সংশোধন করে ১ হাজার ২৩৮ টাকা নির্ধারণ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এ ঘটনায় বিলিং সহকারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান গ্রাহক শহীদুল ইসলাম রনির বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিলের কপি পৌঁছে দেন। এ সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তিনি গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের বড় তফদার বাড়ির। মৃত আবু তাহেরের নামে থাকা বিদ্যুৎ সংযোগটি ব্যবহার করেন তাঁর নাতি শহীদুল ইসলাম। গত আগস্টে তাঁর বিদ্যুৎ বিল ছিল ১ হাজার ৩২৬ টাকা। অথচ সেপ্টেম্বরে ভ্যাট ও বিলম্ব মাশুলসহ বিল আসে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা।
শহীদুল জানান, তাঁর ঘরে কয়েকটি বাতি, দুটি ফ্যান, একটি ফ্রিজ ও আইপিএস ছাড়া ভারী কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নেই। আগের পাঁচ মাসে গড়ে ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও সেপ্টেম্বরে বিল করা হয় ৬ হাজার ইউনিটের। এ নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে বিলটি সংশোধন করা হয়।
এ ঘটনায় বিলিং সহকারী মমতাজ বেগমকে চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। চার সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে সেনবাগ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম মিনারুল ইসলামকে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মকবুল আহমদ বলেন, মিটারের রিডিং যথাযথভাবে নেওয়া হয়েছিল। এরপরও কীভাবে এত বড় অঙ্কের ভুল বিল তৈরি হয়েছে, তা তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, সংবাদ প্রকাশের পর পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চান। তাঁর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট বিলিং সহকারীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।
