ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, ‘সাংবাদিক হত্যার বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। আপনারা (সাংবাদিক) জানেন, আমাদের ইন্সপেক্টর জেনারেল দুইবার ফোন করে আমার সঙ্গে ও এসপির সঙ্গে এ মামলার অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেছেন। সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হবে।’
পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেছেন, ‘নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমরা কাছাকাছি চলে গিয়েছি। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখন অপরাধীদের নাম প্রকাশ করব না।’
গতকাল নেত্রকোনায় শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, ‘সাংবাদিক হত্যার বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। আপনারা (সাংবাদিক) জানেন, আমাদের ইন্সপেক্টর জেনারেল দুইবার ফোন করে আমার সঙ্গে ও এসপির সঙ্গে এ মামলার অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেছেন। সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছি। তার প্রথমে একদিনের রিমান্ডে নিয়েছে, আজ আরো চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। আমরা তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। আমরা এ মামলার অবশ্যই রহস্য উদঘাটন করব—কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং আসামিদের আইনের আওতায়
নিয়ে আসব।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘নেত্রকোনা একটি বর্ডার জেলা। এখানে অনেক সময় দুষ্কৃতকারীরা এ দেশে অপরাধ করে সীমান্ত পার হয়ে যায়। তখন আমাদের জন্য একটু কঠিন হয়ে পড়ে তাদের গ্রেফতার করা। আমরা রাষ্ট্রের অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কোঅর্ডিনেট করছি। এ মামলাতে সিআইডি এবং পিবিআইকে সংযুক্ত করেছি, যাতে ছায়া তদন্ত করে তারা জেলা পুলিশের সঙ্গে আমাদের অগ্রগতি দেয়।’
তিনি বলেন, ‘দুর্গা পূজার শুরু থেকে রেঞ্জের প্রত্যেকটি ইভেন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। যাতে কেউ কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে। আমরা সজাগ রয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
এ সময় নেত্রকোনা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রেজুয়ান আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজা আক্তার, মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা শাখার সদস্য সচিব শ্যামল ভৌমিক ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্ঞানেশ সরকার উপস্থিত ছিলেন।
