কালবেলা · সাধারণ
বাতি, ফ্যান ও ফ্রিজ চালাতেই বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!
১৯/১০/২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সাধারণ একটি আবাসিক ঘরে হঠাৎ এক লাফে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা। ঘরে মাত্র কয়েকটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ চলার পরেও এই বিশাল অঙ্কের ‘ভুতুড়ে’ বিল আসায় হতবাক ও ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী পরিবার।
ঘটনা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের বড় তফদার বাড়ির পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহকের ঘরের। মিটারটি ওই বাড়ির মৃত আবু তাহেরের নামে নিবন্ধিত, যা বর্তমানে ব্যবহার করেন তার নাতি শহীদুল ইসলাম রনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত আগস্ট মাসেও এই মিটারে বিদ্যুৎ বিল এসেছিল মাত্র ১ হাজার ৩২৬ টাকা। এমনকি বিগত পাঁচ মাসে পরিবারটির গড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছিল ১৮৭ ইউনিট। কিন্তু হঠাৎ করেই সেপ্টেম্বর মাসের বিলে বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হয়েছে ছয় হাজার ইউনিট। ভ্যাট ও বিলম্ব মাশুলসহ মোট বিল এসেছে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা।
ভুক্তভোগী শহীদুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের ঘরে ফ্যান, বাতি আর ফ্রিজের বাইরে কোনো ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চলে না। নিয়মিত বিল পরিশোধ করার পরও এই ভুতুড়ে বিল দেখে আমরা স্তম্ভিত। পল্লী বিদ্যুতের কর্মীদের গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এমনটা হয়েছে। তারা ভুল করবে, আর আমরা তা সংশোধনের জন্য অফিসে অফিসে ঘুরব, এটা কোনো ধরনের নিয়ম? আমি এর সুষ্ঠু বিচার ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
তিনি আরও জানান, বিল নিয়ে আসা কর্মীকে তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানালে তিনি কার্যালয়ে গিয়ে ভুল সংশোধনের পরামর্শ দেন।
এ বিষয়ে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘এটি ভুলবশত হয়েছে। এরইমধ্যে ওই গ্রাহকের বাড়িতে আমাদের লোক গিয়ে মিটার পরীক্ষা করে এসেছেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রাহকের বিলটি সংশোধন করে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
মূল প্রতিবেদনে যান ↗