টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি চালানো ৩ শুটার গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত তিন শুটারকে রাজস্থানের কোটা রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রেনে করে পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন হরিয়ানার এবং একজন বিহারের বাসিন্দা। তিনজনই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।
আটকদের মধ্যে দুজন ভাড়াটে খুনি এবং তৃতীয় জন হামলার পর তাদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের একজনের বয়স ১৭ বছর, বাড়ি হরিয়ানার সোনিপতে। বাকি দুজন হলো বিহারের বেগুসরাইয়ের ২২ বছর বয়সি হৃতিক কুমার ওরফে রোশন এবং হরিয়ানার সোনিপতের ১৮ বছর বয়সি রেহান।
মুম্বাই পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থান অ্যান্টি-গ্যাংস্টার টাস্ক ফোর্স ও কোটা সিটি পুলিশের একটি যৌথ দল পুনে-জয়পুর এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে এই তিন শুটারকে গ্রেপ্তার করে।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ জানান, মুম্বাই পুলিশ রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করার পর তাদের রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা প্রথমে সুরাটের দিকে পালিয়ে যায় এবং পরে পুনে-জয়পুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠে। মুম্বাই পুলিশ রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করেছিল এবং সেই অনুযায়ী রাজস্থান পুলিশ কোটা স্টেশন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।’
সূত্র জানায়, হামলাকারীরা টাইগার শ্রফের সাপ্তাহিক রুটিন পর্যবেক্ষণ করে এই পরিকল্পনা করেছিল। তারা জানত যে অভিনেতা নিয়মিত রবিবার জুহু ফুটবল মাঠে যান এবং মাঠ থেকে ফেরার সময় তার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করা হয়।
গুলিবর্ষণের পর হামলাকারীরা পূর্বপরিকল্পিত পলায়ন রুট ধরে এসভি রোড হয়ে ভিলে পার্লে ও আন্ধেরির দিকে পালিয়ে যায়। তারা আন্ধেরি পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে তাদের মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে বরিভলিমুখী একটি ট্রেনে উঠে পড়ে। প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিতে সন্দেহভাজনরা পরে মহারাষ্ট্রের সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী রাজ্য গুজরাটে প্রবেশ করেছিল। সূত্র: এনডিটিভি
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
বিচ্ছেদের পর যা করছেন শেহতাজ
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিচ্ছেদের খবরের পর এবার রঙিন মুহূর্তে ধরা দিলেন দেশের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শেহতাজ মনিরা হাশেম। মুখে হাসি, চোখে প্রকৃতির মুগ্ধতা। সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিলেন ঘুরে বেড়ানোর এমনই কিছু মুহূর্ত। কোথাও বন্য প্রাণীর ছবি তুলছেন, কোথাও নিজেই ধরা দিচ্ছেন ক্যামেরায়। ছবিজুড়ে হাসিখুশি শেহতাজ। ব্যক্তিগত জীবনের অধ্যায় বদলেছে, থেমে নেই তার পথচলা। বিচ্ছেদের পর সামাজিক মাধ্যমে এ যেন তার প্রথম রঙিন উপস্থিতি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন এই মডেল-অভিনেত্রী। ছবিতে দেখা যায়, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বন্য পরিবেশে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের ছবিও তুলেছেন। নিজের ছবিতেও রেখেছেন হাসির ছাপ। ছবিগুলো দেখে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বাইরে কোনো পর্যটনকেন্দ্রে সময় কাটছে তার। তবে বিচ্ছেদের পর কোথায় আছেন, তা নিয়ে কিছু জানাননি শেহতাজ।
ছবির সঙ্গে দীর্ঘ কোনো ক্যাপশন নেই। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। শুধু জুড়ে দিয়েছেন একটি উড়ন্ত পায়রার ইমোজি। ছোট্ট এই প্রতীক ঘিরে ছবিগুলো পেয়েছে অন্য রকম আবহ। বিচ্ছেদের ঘোষণার পর তার এমন হাসিমুখের উপস্থিতি ভক্তদের নজর কেড়েছে। সম্পর্কের ভাঙনের পরও জীবনের আনন্দটুকু খুঁজে নেওয়ার এই মুহূর্তগুলো তাই হয়ে উঠেছে আলোচনার বিষয়।
গত ৫ অক্টোবর রাতে সামাজিক মাধ্যমে যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত জানান শেহতাজ ও সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান। পাঁচ বছরের প্রেমের পর ২০২২ সালের অক্টোবরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমকালো আয়োজনে বিয়ে করেছিলেন তারা। তাদের সম্পর্কের গল্প নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও ছিল দীর্ঘদিনের।
বিচ্ছেদের ঘোষণায় দুজনই একসঙ্গে কাটানো ১০ বছরের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এই দীর্ঘ পথচলার জন্য একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। সম্পর্কের ইতি ঘটলেও পারস্পরিক সম্মান ও শুভকামনা বজায় থাকবে বলেও উল্লেখ করেন ডিভোর্স প্রক্রিয়াধীন এই দম্পতি।
আরও পড়ুন
বিজয়কে রাজি করাতে এক বছর পেছনে ঘুরেছেন রাশমিকা
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবারকোন্ডার প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের গল্প নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। এবার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে মজার অভিজ্ঞতার কথা জানালেন রাশমিকা। বিজয়কে বিয়েতে রাজি করাতে তাকে এক বছর ধরে চেষ্টা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
সপ্রতি ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর নতুন পর্বের প্রচার ঝলকে তাদের কথোপকথন সামনে এসেছে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক করণ জোহর জানতে চান, তাদের মধ্যে কে প্রথম বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। উত্তরে রাশমিকা জানান, বিষয়টি ঠিক আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের মতো ছিল না।
বিজয় বলেন, রাশমিকা তাকে বলেছিলেন, ‘চলো বিয়ে করি।’ সেই কথা শুনে তিনি মজা করে জানিয়েছিলেন, একই কথা তাকে প্রায় ১০০ বার বলা হয়েছে। পরে করণ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে রাশমিকা স্পষ্ট করেন, বিজয়কে বিয়ের কথা বলতে তিনি পুরো এক বছর চেষ্টা করেছেন।
আড্ডায় দাম্পত্য জীবনের নিয়ম নিয়েও কথা বলেন বিজয়। স্ত্রীর কথায় সম্মতি দেওয়াই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বলে রসিকতা করেন অভিনেতা। ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয়ের পর থেকেই রাশমিকা ও বিজয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পর্দার রসায়ন তাদের বাস্তব জীবনের সম্পর্ক নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল বাড়ায়।
চলতি বছরের শুরুতে উদয়পুরে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। বিয়ের পরও তাদের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ রয়েছে। বিজয়কে রাজি করাতে এক বছর চেষ্টার গল্প সেই আগ্রহে নতুন সংযোজন।
আরও পড়ুন
অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে আপত্তি মার্কিন অভিনেত্রীর
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->হলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন অস্কার মনোনীত মার্কিন অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। সম্প্রতি যৌন দৃশ্যের আধিক্য থাকায় একটি টিভি সিরিজে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। আমান্ডা জানিয়েছেন, অপরিচিত কারও সঙ্গে নগ্ন হয়ে অভিনয় করতে এখন আর স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
সপ্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ইস্ট হ্যাম্পটনে হ্যাম্পটনস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এক আলোচনায় এ কথা বলেন ৪০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন অভিনেতা আলেকজান্ডার রে বল্ডউইন ।
অভিনয়ের প্রয়োজনে পর্দায় এমন মানুষের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়, যাদের সঙ্গে বাস্তবে কোনো সম্পর্ক নেই। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কাছে আরও অদ্ভুত লাগছে বলে জানান আমান্ডা। তিনি বলেন, ‘একটি সিরিজের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। সেখানে আমাকে নিয়মিত যৌন দৃশ্যে অভিনয় করতে হতো। বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। আমি এখন আর এটা করতে চাই না। এ নিয়ে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না।’
ভবিষ্যতে একই ধরনের প্রস্তাব পেলে তার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে এখন অপরিচিত কারও সঙ্গে নগ্ন হয়ে অভিনয়ের ঝামেলায় যেতে চান না তিনি। এর পেছনে সন্তানদের কথাও উল্লেখ করেছেন আমান্ডা। তার ভাষায়, ‘আমার এখন সন্তান আছে। তারা আমার কাজের দিকে নজর রাখছে। তাই সবকিছুতে সহজে রাজি হওয়া বন্ধ করতে হবে।’
‘মামা মিয়া’ ও ‘মিন গার্লস’ সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পান আমান্ডা। ‘ম্যানক’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অস্কার মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল। তখন সহ-অভিনেতার সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যকে কাজের স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই দেখতেন। এখন বয়স ও ব্যক্তিগত জীবনের পরিবর্তনের সঙ্গে সেই মনোভাবও বদলেছে বলে জানান এই মার্কিন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন
দাম্পত্য জীবনে অসুখী আরিফিন শুভ-পায়েল
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মোহ, বয়সের ব্যবধান আর মানসিক দূরত্ব– এসবের প্রভাব কীভাবে দাম্পত্য জীবনে জটিলতা তৈরি করে, সেই গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ওয়েব সিনেমা ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। চরকির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। এতে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল।সিনেমায় আনিস চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। ৩৫ বছর পেরিয়েও বিয়েতে আগ্রহী ছিলেন না তিনি। একপর্যায়ে অনামিকার সঙ্গে বিয়ে হয় তার। অনামিকা চরিত্রে আছেন কেয়া পায়েল। দুজনের বয়স ও মানসিকতার পার্থক্য থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন।
বিয়ের পর অনামিকার মন পড়ে থাকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে। বিয়ের ছবি নিয়ে তার অনেক প্রত্যাশা ছিল। সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় হতাশ হন তিনি। অন্যদিকে, আনিস চান সাধারণভাবে সংসার করতে। স্ত্রীর মন জয় করতে নানা চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু অনামিকার শর্ত আর আচরণে তাদের সম্পর্কে তৈরি হয় দূরত্ব।গল্পে সন্দেহের জন্ম দেয় অনামিকার প্রিয় তারকা। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরেফিন জিলানী। অনামিকা কি সত্যিই তারকার প্রেমে জড়িয়েছেন, সেই প্রশ্ন ঘিরে এগিয়েছে কাহিনি।
আনিস চরিত্রে আরিফিন শুভর সহজ-সরল অভিনয় নজর কেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত তরুণীর চরিত্রে কেয়া পায়েলও মানিয়ে গেছেন। সালাহউদ্দিন লাভলু, দীপা খন্দকার ও তুষার খানের অভিনয় গল্পে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দাম্পত্য জীবনের প্রত্যাশা, মানিয়ে নেওয়া আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে দর্শককে ভাবার সুযোগ করে দেয়।
