ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজার দলের এমন দাপুটে জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, জিম্বাবুয়ের শক্তির রহস্য কী? সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন দলটির অধিনায়ক।
ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসই জিম্বাবুয়েকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে বলে মনে করেন রাজা। তিনি বলেন, ‘দলের ঐক্য এবং সংস্কৃতিতে আমাদের শক্তি আছে। সবার সামর্থ্যের ওপর আমাদের পুরো বিশ্বাস রয়েছে। যে কারও হাতে বল থাকলেই তারা বিশ্বাস করে, তারা দলের জন্য কাজটা করে দিতে পারবে। ব্যাট হাতে আমরা বিশ্বাস করি যেকোনো জায়গা থেকে দলকে জেতাতে পারব। এসবের মাঝেই আমাদের শক্তি। জিম্বাবুয়ের শক্তি হচ্ছে এখানে ছেলেরা দক্ষতায় পূর্ণ। আমাদের মাঝে ঐক্য ও সংস্কৃতিটাও ভালো আছে।’
পরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে জিতলে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ সহজ হবে। এ বিষয়ে রাজা বলেন, ‘(হাসি) এই ম্যাচটার ধকল কাটিয়ে উঠি। ৩০ ঘণ্টার মতো বাকি আছে আরও। ইনশাআল্লাহ আমরা (আফগানিস্তান ম্যাচেও) নিজেদের সেরাটা দিব এবং দেখা যাক কী হয়।’
দর্শকদের সমর্থন নিয়েও কথা বলেছেন এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্বের সব সমর্থককে ধন্যবাদ দিতে চাই আমি। যেখানেই যাই, সেখানেই জিম্বাবুয়ানরা থাকলে মাঠে সমর্থন দিতে চলে আসে। তারা আমাদের দেখেই অনেক খুশি হয়। দারুণ শক্তি নিয়ে আসে তারা। আমাদের পরিবার এবং বন্ধুরাও আমাদের বড় সমর্থক। আশা করি সামনেও তারা আমাদের সমর্থন দিতে আসবে। প্রতি ভেন্যুতে এসেই তাদেরকে দেখতে পেরে আমাদের দারুণ লাগে। আশা করি সামনেও তারা আসবেন।’
ম্যাচে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের ১৫০ রানের জুটি দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়। এই পরিস্থিতিতে দলের ব্যাটারদের প্রতি নিজের বার্তার কথাও জানিয়েছেন রাজা।
তিনি বলেন, ‘আমার জন্য ব্যাপারটা হচ্ছে, যখন জুটি বানাবে, তখন হয়তো দ্রুত কিছু রান তুলে ফেলতে চাইবে। তবে এর সাথে উইকেট, কন্ডিশন, পরিস্থিতি, এই ভেন্যুর পরিসংখ্যান এসবও বুঝতে হবে। আমার বার্তা ছিল, ‘তোমাদের ইনটেন্ট বেশ ভালো। খেলার ফ্লো ভালো। এটাই চালিয়ে যাও। বেশি কিছু পরিবর্তন করতে হবে না।’’
এমএমটি
