বাগেরহাটের শরণখোলায় শান্তা আক্তার জুঁই (৩০) নামের এক নারীর আত্মহত্যার ঘটনায় করা মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় আসামি মাসুদ খানকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬-এর সদর কোম্পানি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে খুলনা মহানগরীর শিরোমণি বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানার শিরোমণি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাসুদ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এসআরবি-৬ জানায়, গ্রেপ্তার মাসুদ খানের বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রতিয়া রাজাপুর গ্রামে। তাঁর বাবা মৃত শাহজাহান খান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জুঁই একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের ১১ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। জুঁইয়ের স্বামী কুয়েতে প্রবাসে থাকেন। এ সময় মাসুদ খানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এজাহারে বলা হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর বিয়ের প্রলোভন ও প্রতারণার মাধ্যমে জুঁইকে নিয়ে যান মাসুদ। পরে শরণখোলার কদমতলা গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় তাঁরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। একপর্যায়ে মাসুদ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং জুঁইকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর জেরে গত ১৭ অক্টোবর জুঁই আত্মহত্যা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় জুঁইয়ের মা শামসুন্নাহার রুনু শরণখোলা থানায় মাসুদ খানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।
এসআরবি-৬ জানায়, গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাসুদ খানকে শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিআলো/শিলি