নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়াবাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
আজ রোববার ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ফতুল্লার ভুইঘর এলাকার একটি বাসা থেকে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত ফারজানা ইসলাম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরিবারের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফারজানার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে। তিন বছর আগে একই বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের নাজমুল ইসলামকে বিয়ে করেন তিনি। চাকরির সুবাদে গত আড়াই মাস ধরে তারা ফতুল্লার ভুইঘর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ফারজানার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম অভিযোগ, ফারজানার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও তাকে মারধর করতেন স্বামী। নির্যাতনের শিকার হয়ে ফারজানা একবার বাবার বাড়িতে গিয়ে ৪ মাস থাকেন।
সেসময় ফারজানার পরিবার নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। পরে পারিবারিক সমঝোতার পর মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়।
আরিফুলের ভাষ্য, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে তারা ফারজানার মোবাইল নম্বর বন্ধ পান। কয়েকঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাজমুল তাকে ফোন করে ফারজানার মৃত্যুর খবর জানান।
এসআই গাজী সুমন বলেন, 'ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ঘটনার তদন্ত চলছে।'
