কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ
দেহ ব্যবসার অভিযোগে ৪ নারী ও ১ পুরুষকে আটক করেছেন কোটচাঁদপুর থানার পুলিশ। বুধবার দুপুরে স্থানীয় দুধসরা বাসস্ট্যান্ডের অদুরে সানাউল্লাহর তিন তলা ভবন থেকে তাদের পুলিশ আটক করেন। আকটকৃতরা হলেন,মাহফুজা খাতুন (২৭),তাজ নাহার (৪৫),ফেরদৌস লামিয়া (২০),রাজিয়া খাতুন (৩৭), ও নাসিম রাজা (৩৫)।
প্রতিবেশী ভাংড়ি ব্যবসায়ি রাজু আহম্মেদ বলেন,বাড়ির মালিক সানাউল্লাহ। আগে কাঠের ব্যবসা করতেন। এখন ছোট খাট ব্যবসা করেন। আর ছেলেরা বিদেশ থাকেন। ওনি কিছুদিন হল ভবনের কাজ শেষ করেছেন। আর ওই ভাড়াটিয়ারা এই প্রথম ভাড়াটিয়া এই ভবনের।
তিনি বলেন,আমি ওই সময় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলাম। এ সময় দেখলাম পুলিশের পিকাপ আসতে। এর ১ ঘন্টা পর দেখতে পেলাম পুলিশ তাদেরকে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে গেলেন। পরে জানতে পারলাম আটককৃত অসামাজিক কাজের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন।
কোটচাঁদপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক বিধান কুমার বিশ্বাস বলেন,আটককৃতরা এর আগে মহেশপুরে এ ধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে,তারা ওখান থেকে এসে কোটচাঁদপুরের ওই ভবনে দেহ ব্যবসা শুরু করেন। গোপন সংবাদে বুধবার আমরা ওই ভবনে অভিযান চালায়। এরপর অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা ৪ নারী ও ১ জন পুরুষকে আটক করি।
আটককৃতরা হলেন,মহেশপুরের জলিলপুর গ্রামের রেজাউল ইসলামের মেয়ে রাজিয়া খাতুন (৩৭), মাইল বাড়িয়ার মহেশপুরের শাহ জালালের মেয়ে মাহফুজা খাতুন (২৭)ওই একই উপজেলার ঝিটকিপোতা গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে নাসিম রাজা। এ ছাড়া রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা ঈশ্বর চন্দ্রপুর গ্রামের আকাশ হোসেনের মেয়ে ফেরদৌস লামিয়া (২০), ও আন্দোবাড়িয়া গ্রামের হাসানের স্ত্রী তাজ নাহার (৪৫)। বর্তমানে তারা কোটচাঁদপুর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মেহেদী হাসান বলেন, গোপন সংবাদ পেয়ে কোটচাঁদপুর পৌর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক বিধান কুমার বিশ্বাস ও পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় দুধসরা বাসস্ট্যান্ডের ওই ভবনে অভিযান চালান। এ সময় ওই ভবন থেকে ১ পুরুষসহ ৪ নারীকে আটক করেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনের প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
