আজকাল ওয়েবডেস্ক: একটানা ১৭ দিনের অভিযানে অস্ত্র পাচার চক্রের পর্দাফাঁস করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। জানা গিয়েছে, এই চক্রের নেটওয়ার্ক বিহার, ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।
এই ঘটনায় বিহারের মুঙ্গের এবং ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং নগদ টাকা।
এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থেকে মহম্মদ ফারহান ওরফে মুসানকে গ্রেপ্তার করার পর এই অভিযান শুরু হয়। মুসানের থেকে দু’টি পিস্তল, দু’টি ম্যাগাজিন এবং ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এরপরই বেআইনি অস্ত্র সরবরাহের শৃঙ্খল এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তদন্তে নেমে এসটিএফ একে একে চার জনকে গ্রেপ্তার করে।
ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিহারের জামুইয়ের মহম্মদ ফারহান, মুঙ্গেরের মহম্মদ শাহনওয়াজ আলম ওরফে গুড্ডু, ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের গণেশ রানা এবং জামুইয়ের পবন কুমার সিং।
তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বর মহম্মদ ফারহান, ২৯ সেপ্টেম্বর মহম্মদ শাহনওয়াজ আলম, ৩ অক্টোবর পবন কুমার সিং এবং ৪ অক্টোবর গণেশ রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দু’টি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি, এমন ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই টাকা বেআইনি অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে পাওয়া অর্থ বলে সন্দেহ করছেন এসটিএফ আধিকারিকরা।
এছাড়াও একটি ৯ মিলিমিটার পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। এই অস্ত্র পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, অস্ত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করা হত এবং কীভাবে বিভিন্ন রাজ্যে তা সরবরাহ করা হত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
https://youtu.be/JwFdq_tA9cE?si=CcviVJ8pZrhnzdBj
আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেও তদন্ত চলছে। চক্রের বাকি সদস্যদের চিহ্নিত করে গোটা নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলাই এখন এসটিএফ-এর লক্ষ্য।
