সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
Published on
:
1 min read
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষনেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তা নিয়ে এ বার সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তব্য, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানো অপরাধ নয়।
বুধবার এক্স হ্যান্ডলে রাহুল লিখেছেন, ‘যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে তিরঙ্গা ওড়ানো অপরাধ নয়। এর জন্য কাউকে জেলে পাঠানো চরম কাপুরুষতা। ছাত্র, যুব, সাংবাদিক এবং বিরোধী জোট— সকলের ব্যানার আলাদা হলেও উদ্দেশ্য একটাই। সমস্ত প্রতিবাদ একটি বিন্দুতেই মিলিত হচ্ছে। নাগরিকরা তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার দাবি করছেন। যন্তর মন্তর দেশের মানুষের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করবই।’
সৌরভ-আশুতোষের গ্রেপ্তারির কড়া সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘নিজের দেশে নিজেদের জাতীয় পতাকা পতাকা ওড়ানো কি অপরাধ? এটা হাস্যকর।’
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লিখেছেন, ‘তথাকথিত সবচেয়ে বড় জাতীয়তাবাদীরা এখন নিজেদের দেশেই তিরঙ্গা ওড়ানোর কারণে নাগরিকদের গ্রেপ্তার করছে। বিজেপির নতুন পাকিস্তানি ভারতে স্বাগত।’
এই ঘটনায় সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই বিঁধেছেন। বলেন, ‘আশু এবং সৌরভকে ৫ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ওঁদের অপরাধ? যন্তর মন্তরে তিরঙ্গা ওড়ানো। নরেন্দ্র মোদী, একটু সাহস দেখান। যদি বিরোধী মত দমন করতে আপনি এতটাই বদ্ধপরিকর হন, তবে এই কাপুরুষোচিত কৌশলের আড়ালে না লুকিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার সাহস দেখান।’
