ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবকে ইসরায়েল ব্যাপক সহায়তা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি ভবিষ্যতে আবারও হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে খবর প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইসরায়েল।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেয়ে সৌদি আরব অত্যন্ত সন্তুষ্ট। আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বলে মনে করেন তিনি।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এ মন্তব্য সামনে এল। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরব ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হামলার জবাবে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের পাশাপাশি ইসরায়েলও হুথিদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালিয়েছে।
এদিকে হুথিদের হামলায় ইরানের সমর্থন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। তবে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, হুথিরা নিজেদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। তবে মধ্যস্থতার জন্য তেহরান সব সময় প্রস্তুত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের আল-মাশিক রাষ্ট্রপতি প্রাসাদে হুথিদের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাঁচজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। সৌদি আরব এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের ধারাবাহিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।
সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। তবে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে এখনো কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল
