২০২৭ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক বাংলাদেশ ও নেপাল। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসর। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং নেপালের কীর্তিপুর ও মুলপানিতে হবে প্রতিযোগিতার সব ম্যাচ।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল। একই ভেন্যুতে ৬ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল।
১৬টি দল নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। প্রতি গ্রুপে থাকবে চারটি করে দল। গ্রুপ পর্ব শেষে হবে দুই গ্রুপের সুপার সিক্স পর্ব। এরপর অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।
এবারের আসরটি টুর্নামেন্টের তৃতীয় সংস্করণ। এর আগে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম দুই আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। তাদের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্বাগতিক নেপাল। ২০২৫ সালের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকা রয়েছে ‘বি’ গ্রুপে। এই গ্রুপের অন্য দলগুলো নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া।
বাংলাদেশ রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে। এই গ্রুপের অন্য দল অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। অন্যদিকে, ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড।
আগামী ২১ জানুয়ারি চারটি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপ। সিলেটে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অস্ট্রেলিয়া-নাইজেরিয়া। অন্যদিকে, নেপালের মুলপানিতে খেলবে শ্রীলঙ্কা-স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড-যুক্তরাষ্ট্র।
পরদিন ২২ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে আরও চারটি ম্যাচ। চট্টগ্রামে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড-সামোয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান। নেপালের কীর্তিপুরে খেলবে নেপাল-আয়ারল্যান্ড এবং ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
টুর্নামেন্টের ৪১টি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে দিনের বেলায়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হবে সকালের ম্যাচগুলো। আর দুপুরের ম্যাচ শুরু হবে বেলা দেড়টায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আমাদের খেলার ভবিষ্যৎ প্রতিভাদের তুলে ধরার মঞ্চ। নিজ নিজ দেশের হয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার স্বপ্ন দেখা তরুণদের জন্য এটি নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার অন্যতম সেরা সুযোগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৬টি দলের ভবিষ্যৎ তারকারা বিশ্বজুড়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করবে। একই সঙ্গে ক্রিকেট খেলা অনেক তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণাদায়ী আদর্শ হয়ে উঠবে তারা, যা তাদের ক্রিকেটযাত্রা অব্যাহত রাখতে উৎসাহ জোগাবে।’
বাংলাদেশ ও নেপালকে আয়োজক হিসেবে বেছে নেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী। তার ভাষ্য, ‘বাংলাদেশ ও নেপালকে আয়োজক হিসেবে বেছে নেওয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বিকাশে আইসিসির বিশ্বাস ও বিনিয়োগের প্রতিফলন। দেশ দুটিতে ক্রিকেটের প্রতি গভীর ভালোবাসা রয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে। সব মিলিয়ে বিশ্বের অন্যতম বড় যুব ক্রীড়া আয়োজনের জন্য দেশ দুটি আদর্শ আয়োজক।’
