সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার উত্তর দেউলগ্রামে কুশিয়ারা নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চোখের পলকে নদীতীর ভেঙে পড়ার দৃশ্য স্থানীয়দের মোবাইল ফোনে ধারণ হওয়ার পর তা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নদীভাঙনে এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার। তিনি সাবেক এক ইউপি সদস্যের বাড়ির সামনের ভাঙনকবলিত স্থানসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ নদীভাঙন তীব্র হয়ে ওঠায় উত্তর দেউলগ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এলাকার আরও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, চলাচলের রাস্তা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভাঙন থেকে নিজেদের ঘরবাড়ি ও শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। পাশাপাশি নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও দাবি তাঁদের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, প্রশাসনের পরিদর্শন ও উদ্যোগ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপে রূপ নেবে। সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাঁদের বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
