

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ হত্যার ঘটনায় আটক-১
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে রুপসী বাংলা (আইপি) টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাজিদুল ইসলাম অপূর্ব (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। অপূর্বকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্য বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। আটককৃত অপূর্ব দুর্গাপুর পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমসের আলীর ছেলে।
ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, সাংবাদিক আলিফ হত্যার ঘটনায় অপূর্বকে আটক করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের চিহ্নিত করতে ও গ্রেফতার এ পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। উল্লেখ্য, আটককৃত অপূর্ব এর আগে এক পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দী ও দিয়েছিলেন তিনি।
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে দুই মেয়েসহ যশোরের দম্পতির মৃত্যু
কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ রয়েছেন যশোরের মণিরামপুরের এক দম্পতি ও তাদের দুই শিশুকন্যা। রিসোর্টের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হওয়া চারজনের দগ্ধ মরদেহ তাদের হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনেরা। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত না হওয়ায় পরিবারটির সদস্যদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মণিরামপুর থানা পুলিশ বলছে,তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে তুহিন, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান অগ্নিকান্ডে মারা গেছেন। নিখোজ ব্যক্তিরা হলেন মণিরামপুর হাসপাতাল মোড়সংলগ্ন মোহনপুর এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তুহিন ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি ঢাকার মিরপুরে বসবাস করতেন। কক্সবাজারে পারিবারিক ভ্রমণে যাওয়ার বিষয়টি তিনি তার বাবাকে মুঠোফোনে জানিয়েছিলেন। তুহিনের চাচাতো ভাই ও মণিরামপুর হাসপাতাল মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন তুহিন। দুই দিন অবস্থান শেষে রোববার তাদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে তুহিনের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পেয়ে তানজির মুঠোফোনেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন স্বজনেরা। তার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। তাদের মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান রিসোর্ট এলাকায় দেখাচ্ছিল বলে জানান রিয়াজ। তিনি বলেন, দিনভর খোজাখুঁজি করেও তুহিন ও তার পরিবারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর স্বজনদের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকা নিয়ে গভীর শঙ্কা তৈরি হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তুহিনের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স শনিবার থেকে তার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। রোববার সকালে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। প্রিন্স বলেন, ‘তুহিন ও তার স্ত্রী, দুই মেয়ে বেঁচে আছেন কি না, আমরা নিশ্চিত নই। কক্সবাজারে পেঁৗছালে প্রকৃত অবস্থা জানতে পারব।’ তবে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে মণিরামপুরের ওই দম্পতি ও তাদের দুই মেয়ে রয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। তাদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তবে এখনো মরদেহ শনাক্ত করা হয়নি বলে জানান তিনি।

ধামইরহাটে পুজো মন্ডপ পরিদর্শন করেন সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খান
নওগাঁর ধামইরহাটে শারদীয় দূর্গাপুজার বিভিন্ন পুজো মন্ডপ পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি জনাব সামসুজ্জোহা খান। ১৭ অক্টোবর( শনিবার) সন্ধ্যা সাডে ৬ টায় ধামইরহাট উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন পুজো মন্ডপ গুলো পরিদর্শন করেন এবং পুজো উৎযাপনের প্রস্তুতি আইন শৃংখলার পরিবেশ বিষয়ে এবং সার্বিক আইন শৃংখলার সহযোগিতার খোজখবর নেন। এক শুভেচ্ছা বাতার্য় তিনি বলেন শারদীয় দূর্গাপুজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব নয়,এটি বাংগালী আবহমান সাংস্কৃতিক, সংগীত,ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক । এ উৎসব মানুষের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ,ভালবাসা,ও ঐক্যের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করে। ধর্ম - বর্ন নির্বিশেষে সবার অংশ গ্রহনে দূর্গাপুজা হয়ে উঠে আনন্দ,সৌহার্দ্য, মিলন মেলা। তিনি পুজা উৎযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ দায়িত্ব শীল ভুমিকা পালনের আহবান জানান। এ সময় তার সংগে ছিলেন নওগাঁ জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী শামীমা পারভীন পলি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হানজালা, পৌর বিএনপির সভাপতি সহিদুর রহমান সরকার, সহ বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ । পুজো মন্ডপ গুলোতে কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে সে দিকে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

ডোমারে ড্রেন নির্মাণ কাজ দ্রুত গতি এগিয়ে চলছে
নীলফামারীর ডোমার পৌরসভায় ১৪কোটি টাকা ব্যায়ে ৫টি প্যাকেজের মাধ্যমে ড্রেন নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এরমধ্যে ৩টি মাষ্টার ড্রেন এবং ২টি সংযোগ ড্রেন রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি প্যাকেজে কাজ চলমান রয়েছে অপর দুটি প্যাকেজের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান পৌরসভা কতৃপক্ষ। রংপুর বিভাগের ৯পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্প (আরডিএনপিপিআইডিপি)এর আওতায় ডোমার পৌরসভার ড্রেন নির্মাণের লক্ষ্যে ৫টি প্যাকেজের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করা হচ্ছে। চলমান ৩টি প্যাকেজের মধ্যে প্রধান সড়ক সংলগ্ন বনওয়ারী লাল আগরওয়ালার মোড় হতে উপজেলা পরিষদের পিছন পর্যন্ত ১১৬০মিটার ড্রেন ৪কোটি ৬৫লাখ, ৬২হাজার ২৭টাকা। পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে আলী হোসেন মেম্বারের বাড়ি হতে শালকী নদী পর্যন্ত ৪৬৩মিটার সংযোগ ড্রেন ৮৪লক্ষ ৫হাজার ১২১ টাকা ব্যায়ে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। অপরটি ডাক বাংলো থেকে শালকি নদী পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণে ব্যায় ধরা হয়েছে ৪কোটি ৪৮লাখ ৯৯হাজার ৯৩৬টাকা। ডোমার পৌরসভার প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম জানান, ড্রেন নির্মাণ করা হলে, পৌর বাসীর জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাসনসহ নানাবিধ সমস্যা নিরসন হবে। নির্মাণ কাজের বিষয়ে আমাদের সার্বক্ষণিক তদারকি রয়েছে।ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান সুমন বলেন, নীলফামারীর অভিভাবক সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও বর্তমানে এ্যাবের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের প্রচেষ্টায় রংপুর বিভাগের ৯পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পে ডোমার পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ড্রেন নির্মাণ হলে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাসনে পৌরসভা বাসী সুফল ভোগ করবেন।

পঞ্চগড়ের ২৬৮ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় এসআরবির বিশেষ ব্যবস্থা
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন করতে পঞ্চগড়ের ২৬৮টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। পূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এসআরবি-১৩ রংপুরের পক্ষে ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু রোহানী পারভেজ রনী। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্তসংখ্যক এসআরবি সদস্য মোতায়েন থাকবেন। আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকবে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। কোনো মন্দির বা পূজামণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর, চুরি কিংবা অন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। প্রতিমা বিসর্জনের দিনও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে কেউ নাশকতার চেষ্টা করছে—এমন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা এসআরবিকে জানাতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর বা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। অনলাইনে গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রতিরোধে এসআরবির সাইবার মনিটরিং দল সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্যাপন কমিটি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন সম্ভব। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।

রাজস্থলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন
রাঙামাটির রাজস্থলীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর পাড়া গ্রামে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সূচনা করেন রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইউছুফ হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত সুপারভাইজারদের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য আধুনিক ট্যাব তুলে দেন। পরে তিনি সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং এর বিভিন্ন দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও ইউছুফ হাসান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় নির্বাচনের সময় প্রতিটি মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, আজকের উদ্বোধনী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ সময় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ইউএনও বলেন, “ফ্যামিলি কার্ডের নাম ভাঙিয়ে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি যদি কারও কাছে অবৈধভাবে টাকা দাবি করেন, তাঁকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।” এ ধরনের অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ইউএনও আরও বলেন, রোববার থেকে রাজস্থলীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম সফল করতে রাজস্থলীর সর্বস্তরের বাসিন্দাদের তথ্য সংগ্রহকারীদের সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার পাশাপাশি ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা লিজা চাকমা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মিয়া, বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান এমদাদুল হক মিলন, এমপি প্রতিনিধি জিকু কুমার দে, বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রিন্স, মহিলা সদস্য সালমা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


